সাংখ্য দর্শন এবং শিক্ষাতত্ত্বে এর প্রভাব | Sankhya Philosophy and Its Impact in Education

প্রাচীন ভারতবর্ষে জ্ঞানচর্চার ইতিহাসে সাংখ্য দর্শন এবং শিক্ষাতত্ত্বে এর প্রভাব (Sankhya Philosophy and Its Impact in Education) অন্যতম এক প্রাসঙ্গিক ঘটনা। সাংখ্য দর্শনের পরিধি কেবলমাত্র আধ্যাত্মিক জিজ্ঞাসা কিংবা মহাবিশ্বের রহস্য সন্ধানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না; বরং মানুষের অন্তর্নিহিত সম্ভাবনার বিকাশ ও অজ্ঞানতার অন্ধকার দূরীকরণেও এর ভূমিকা অনস্বীকার্য।
সাংখ্য দর্শন ভারতীয় বৈদিক দর্শনের মধ্যে অন্যতম। এটি সর্বপ্রাচীন বা প্রাচীনতম ভারতীয় দর্শন হিসেবেও পরিচিত। মহর্ষি কপিল সাংখ্য দর্শনের প্রবক্তা বা প্রতিষ্ঠাতা। ‘আদি বিদ্বান’ নামে পরিচিত কপিল মুনির রচিত সাংখ্য সূত্র এই দর্শনের প্রথম গ্রন্থ। মহর্ষি কপিল রচিত ‘সাংখ্য প্রবচন সূত্র’ নামক গ্রন্থে সাংখ্য দর্শন-এর বিশদ আলোচনা পাওয়া যায়। কপিল মুনির এই গ্রন্থটির নামানুসারে সাংখ্য দর্শনকে ‘সাংখ্য প্রবচন’ ও বলা হয়ে থাকে।
সাংখ্য দর্শনের নামকরণ সম্পর্কে বিভিন্ন অভিমত আছে। অনেকের মতে ‘সংখ্যা’ শব্দ থেকে সাংখ্য শব্দের উৎপত্তি। সাংখ্য শব্দের অর্থ পরিসংখ্যান ও গণনা। সাংখ্যকার গণ পঞ্চবিংশতি তত্ত্বের পরিসংখ্যান বা গণনা করেন বলে তাদের দর্শনকে সাংখ্য দর্শন বলা হয়। আবার অনেকের মতে, সাংখ্য শব্দের অর্থ সম্যক জ্ঞান। অর্থাৎ যে শাস্ত্র পাঠ করলে সম্যকজ্ঞান লাভ করা যায় তার নামই হল সাংখ্য দর্শন। এই দর্শন নিরীশ্বরবাদী দর্শন। সাংখ্য দর্শনের মূল কথা হল প্রকৃতি ও পুরুষ। এই দুটি মূল তত্ত্বের সম্যক জ্ঞান লাভ করেই ত্রিবিধ দুঃখ থেকে মুক্ত হয়ে জীব মুক্তি লাভ করতে পারে।
সাংখ্য অধিবিদ্যা (Sankhya Metaphysics)
সাংখ্য দর্শনে সৃষ্টির দুটি মূল পৃথক সত্তার কথা বলা হয়েছে একটি হল পুরুষ এবং অপরটি হল প্রকৃতি। পুরুষ নিষ্ক্রিয় কিন্তু চেতন, অপরদিকে প্রকৃতি অচেতন কিন্তু কর্মক্ষম। এই দুইয়ের মিলনের ফলেই প্রকৃতি জগত রূপে অভিব্যক্ত হয়। পুরুষের ভোগের জন্যই প্রকৃতি জগত রূপে অভিব্যক্ত হয়। প্রকৃতি হচ্ছে ভোগ্য। ভোক্তা না থাকলে ভোগ্য নিরর্থক। প্রকৃতিকে ভোগ করার জন্যই পুরুষের প্রয়োজন। এখানে পুরুষ হল কারণ এবং প্রকৃতি হল ফল। যাদের মাধ্যমে জীবনের লক্ষণগুলি প্রকাশিত হয়।
সাংখ্য দর্শন অনুসারে ২৫ টি তত্ত্বের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। সাংখ্য দর্শন অনুসারে প্রকৃতি থেকে ২৪ টি তত্ত্ব বা সত্য সৃষ্টি হয় এর সাথে পুরুষ বা ব্যক্তির আত্মা মিলিত হয়ে সর্বমোট ২৫ টি তত্ত্বের সৃষ্টি করে।
- পুরুষ : পুরুষ হল আত্মা এই পুরুষ শুদ্ধ, নিত্য এবং মুক্ত স্বভাবযুক্ত। পুরুষ হল নির্গুণ। বিশ্বকে পুরুষ বা আত্মা ব্যতীত ব্যাখ্যা করা সম্ভব নয়। পুরুষকে অস্বীকারের অর্থ হল নিজের অস্তিত্বকে অস্বীকার করা।
- প্রকৃতি : প্রকৃতি হল জগতের প্রধান উপাদান। সত্ত্ব, রজঃ, তমঃ এই তিন গুণের সাম্যবস্থা হল প্রকৃতি। এই গুণগুলি অত্যন্ত সূক্ষ্ম হওয়ার কারণে প্রত্যক্ষ করা যায় না। সত্ত্ব গুণের জন্য আমাদের মধ্যে আনন্দ অনুভূতি হয়ে থাকে। রজঃ গুণ হল দুঃখ দায়ক অর্থাৎ দুঃখ দান করে। যাবতীয় দুঃখজনক ঘটনার কারণ হল রজঃ গুণ। তমঃ গুণ হল বিষাদ দায়ক অর্থাৎ বিষাদ দান করে। তমঃ গুণের প্রভাবে ব্যক্তি নিদ্রা, আলস্য, আমোদ-প্রমোদে লিপ্ত হয়। ফলে জীবন বিষাদময় হয়ে ওঠে।
- মহৎ : মহৎ হল প্রকৃতি থেকে সৃষ্ট প্রথম মহান সত্য। জাগতিক বস্তুর উৎস বলেই একে বলা হয় মহৎ। ব্যক্তির মধ্যে মহতের অবস্থানকে বলা হয় বুদ্ধি।
- অহংকার : অহংকার হল ব্যক্তির অহং বোধ। মহৎ বা বুদ্ধির বিকাশ অর্থাৎ পরিণাম হচ্ছে অহংকার। বুদ্ধির সাথে অহং বোধের যোগী হচ্ছে অহংকার। এই অহংকার তিন প্রকার সত্ত্ব, রজঃ এবং তমঃ।
- সত্ত্ব : সত্ত্ব গুণের থেকে উৎপন্ন হয় পঞ্চ-জ্ঞানেন্দ্রিয় ও পঞ্চ-কর্মেন্দ্রিয়ের এবং মনের। পঞ্চ-জ্ঞানেন্দ্রিয় এর মধ্যে রয়েছে চক্ষু, কর্ণ, নাসিকা, জিহ্বা, ত্বক। পঞ্চ-কর্মেন্দ্রিয় এর অন্তর্ভুক্ত রয়েছে বাক, পাণি, পাদ, পায়ু এবং উপস্থ।
- রজঃ : রজঃ গুণের প্রাধান্য হলে সৃষ্টি হয় রাজস অহংকার। রজ গুণের থেকে কোনো কিছুর উৎপন্ন না হলেও সত্যিক বা সাত্ত্বিক অহংকার ও তামস অহংকারের অভিব্যক্তিটিকে এটি সাহায্য করে।
- তামস বা তামসিক অহংকার : তমঃ গুণের আধিক্য হলে সৃষ্টি হয় তামস অহংকার। তামস অহংকার থেকে উৎপন্ন হয় পঞ্চ তন্মাত্রা বা পঞ্চ-মহাভূতের অতি সূক্ষ্ম উপাদান যথা- রূপ, রস, গন্ধ, স্পর্শ, শব্দ। সবশেষে পঞ্চ তন্মাত্রা থেকে উৎপন্ন হয় পঞ্চ-মহাভূত, যথা- ক্ষিতি, অপ, তেজ, মরুৎ ও ব্যোম। এই পঞ্চ-মহাভূত থেকে উৎপন্ন হয় জগতের যাবতীয় ভোগ্যবস্তু।
এই ২৫ টি তত্ত্ব প্রকৃতি থেকে সৃষ্টি হয়, প্রকৃতির প্রথম পরিণাম হল মহৎ বা বুদ্ধি। সকল জীবের মধ্যেই বুদ্ধির অস্তিত্ব উপলব্ধি করা যায়। এই বুদ্ধির মাধ্যমে জগতের যাবতীয় বস্তু সৃষ্টি হয় এই জন্যই বুদ্ধিকে মহৎ বলা হয়।
সাংখ্য জ্ঞানতত্ত্ব (Sankhya Epistemology)
কোনো বস্তু বিশেষের সত্য জ্ঞানকে ‘প্রমা’ বলা হয়েছে। সাংখ্যকার গণের মতে, এই শুদ্ধ সত্য জ্ঞানের উৎস বা প্রমাণ হল তিনটি প্রত্যক্ষ, অনুমান ও শব্দ। সব প্রমার তিনটি উপাদান আবশ্যিক অঙ্গ- একটি হল প্রমাতা, যে জানছে, দ্বিতীয়টি হল প্রমেয়, অর্থাৎ যা জানা যাচ্ছে, আর জানার উৎস হল প্রমাণ। বুদ্ধির আত্মাতে বিষয়াকারে যে প্রতিফলন হয়, তাই প্রমাণ। সাংখ্যদর্শনে বুদ্ধি অচেতন। সেই বুদ্ধি যখন ইন্দ্রিয়ের সাহায্যে বিষয়ের সঙ্গে সংযুক্ত হয়, তখন বিষয়ের আকার ধারণ করে এবং ওই আকারে রূপায়িত অংশে বুদ্ধি প্রতিফলিত বুদ্ধি চৈতন্যস্বরূপ আত্মাতে প্রতিফলিত হয়, তখনই প্রমা বা সত্যজ্ঞান হয় তখন জানা সম্ভব সম্ভব। এই জানা কয়েকটি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে সম্ভব হয়- প্রথমত, ইন্দ্রিয় বস্তুর সংস্পর্শে আসে, দ্বিতীয়ত এই সংযোগের ফলে ইন্দ্রিয়গুলিতে একটি ছাপ (impression) পড়ে। তৃতীয়ত, মন, বুদ্ধি একে বিশ্লেষণ করে। চতুর্থত, বুদ্ধি যে স্বরূপত অচেতন, তাই বিষয়টিকে সরাসরি জানতে পারে না, কিন্তু বিষয়াকারে আকারিত হয়। বুদ্ধিতে সাত্ত্বিক গুণ থাকার ফলে তা আত্মার চেতন অংশে প্রতিফলিত হয়, ও শেষে বুদ্ধির প্রতিফলনের সাহায্যে আত্মা বস্তুটিকে জানে।
শিক্ষাক্ষেত্রে সাংখ্য দর্শনের প্রভাব
সাংখ্য দর্শন দ্বৈতবাদী দর্শন। এখানে দুটি মূল তত্ত্ব স্বীকৃত হয়েছে প্রকৃতি এবং পুরুষ। সাংখ্য মতে প্রকৃত শিক্ষা পুরুষ ও প্রকৃতির ভেদ সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান অর্জনের সহায়তা করে। শিক্ষার যেসব ক্ষেত্রে সাংখ্য দর্শনের প্রভাব লক্ষ্য করা যায়, তা নিম্নে তুলে ধরা হল-
শিক্ষার লক্ষ্য
সাংখ্য মতে মানবদেহ কতগুলি জ্ঞানেন্দ্রিয় ও কর্মেন্দ্রিয়ের সমষ্টি। সাংখ্য মতে শিক্ষার লক্ষ্য হল বুদ্ধি, অহংকার ও মনের সুষম সমন্বয় গড়ে তোলা। সাংখ্য দর্শন মতে, শিক্ষাব্যবস্থাকে এমনভাবে সংঘটিত করতে হবে যাতে শিক্ষার্থীরা পুরুষ ও প্রকৃতির ভেদ সম্পর্কে জানতে পারে। দৈহিক বিকাশ, প্রাক্ষোভিক বিকাশ, নৈতিক বিকাশ, মানসিক বিকাশ-কে শিক্ষার গৌণ লক্ষ্য হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
পাঠক্রম
সাংখ্য দর্শন মতে পাঠক্রম নির্ধারিত হবে বৈজ্ঞানিক ও মনোবৈজ্ঞানিক নীতিকে কেন্দ্র করে অর্থাৎ, শিক্ষার্থীর প্রকৃতি অনুযায়ী পাঠক্রম রচিত হবে। পাঠক্রমে কর্মমুখী বিষয়ের ব্যবস্থা থাকবে যাতে শিক্ষার্থীরা কর্মকেন্দ্রিক শিক্ষালাভ করতে পারে।
শিক্ষাদান পদ্ধতি
সাংখ্য দর্শন মতে কোনো বিষয় সম্পর্কে জ্ঞানলাভ করার নির্দিষ্ট কতগুলো পদ্ধতির উল্লেখ পাওয়া যায়, যেমন- ব্যক্তিস্বতন্ত্র অনুযায়ী শিক্ষাদান, শিক্ষার্থী সংশ্লেষণ ও বিশ্লেষণ পদ্ধতির সাহায্যে শিক্ষালাভ করবে, আধুনিক শিখন পদ্ধতিতে ইন্দ্রিয় প্রশিক্ষণের উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সাংখ্য দর্শন মতে, ইন্দ্রিয়গুলি ব্যক্তির জ্ঞান আহরণে তার স্বরূপ। এছাড়াও কর্মের মাধ্যমে শিক্ষাদান আধুনিক শিক্ষাপদ্ধতিকে প্রভাবিত করে। অর্থাৎ, সাংখ্য দর্শনের জ্ঞান আহরণের পদ্ধতি আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থায় পরিলক্ষিত হয়।
শৃঙ্খলা
সাংখ্য দর্শন শৃঙ্খলার বিষয়ে সংযমকে অনুসরণ করে অর্থাৎ, সাংখ্য দর্শন কঠোর শৃঙ্খলা-কে সমর্থন করে না। শিক্ষার্থীরা শ্রেণীকক্ষে মুক্ত শৃঙ্খলার মাধ্যমে নিজেকে শৃঙ্খলিত করবে, অর্থাৎ আত্ম-শৃঙ্খলার কথা বলা হয়েছে।
শিক্ষক
এই দর্শন অনুযায়ী শিক্ষা হবে শিশু-কেন্দ্রিক অর্থাৎ শিক্ষার্থীর ব্যক্তিবৈষম্য অনুসারে শিক্ষা প্রদান করা হবে। সাংখ্য দর্শন কর্মকেন্দ্রিক শিখনের উপর গুরুত্ব আরোপ করেছে। এই দর্শন অনুসারে শিক্ষক মহাশয় হবেন একজন উপযুক্ত ব্যক্তি যিনি সার্থকভাবে শিক্ষা পরিবেশকে সাজিয়ে তুলবেন। তিনি নিজেকে শৃঙ্খলিত করবেন এবং শিক্ষার্থীদের শৃঙ্খলিত হতে উজ্জীবিত করবেন।
শিক্ষার্থী
সাংখ্য দর্শনে শিক্ষার্থীদের ব্যক্তি স্বতন্ত্রের উপর যথেষ্ট গুরুত্ব প্রদান করা হয়েছে। সাংখ্য মতে শিক্ষার্থীরা সত্ত্ব, রজঃ, তমঃ এই তিন গুণে পরিপূর্ণ তাই তারা শৃঙ্খলার অনুসারী হবে। শিক্ষার্থীরা নৈতিকতাপূর্ণ ও জ্ঞানপিপাসু হবে।
সুতরাং, সাংখ্য দর্শন অনুযায়ী শিক্ষা হল গতিশীল আত্ম-বিকাশের প্রক্রিয়া। যার মাধ্যমে শিক্ষার্থীর আত্ম-সক্রিয়তা, সৃজনশীলতা ইত্যাদির বিকাশ ঘটবে। অন্যান্য দার্শনিক শাখার মতো সাংখ্য দর্শনও শিক্ষার প্রত্যেকটি ক্ষেত্রেই তার অবদান রেখেছে।
সাংখ্য দর্শনের প্রাসঙ্গিকতা / উপসংহার
সাংখ্য দর্শন জীবনের আধ্যাত্মিক এবং জাগতিক দুটো দিককেই গুরুত্ব দিয়েছে। দুটো দিকেরই বিকাশের কথা বলেছে। মানুষের শারীরিক, মানসিক, প্রাক্ষোভিক বিকাশের কথা বলেছে সেজন্য সাংখ্য দর্শনের পাঠক্রমে জ্ঞান এবং কর্ম দুটোকেই গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। যাতে করে জাগতিক এবং আধ্যাত্মিক উভয়দিকের বিকাশ সম্ভব; সেজন্য পাঠক্রমে ভাষা, সাহিত্য, পরিবেশবিদ্যা, গণিত, পদার্থবিদ্যা প্রভৃতি বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করার কথা বলা হয়েছে আর যুগ দর্শনে যে শৃঙ্খলার কথা বলা হয়েছে সেটা সাংখ্য দর্শনের কথা। সাংখ্য দর্শনই জ্ঞান লাভের উৎস হিসেবে প্রত্যক্ষ, অনুমান এবং শব্দ অর্থাৎ মন, অহংকার, বুদ্ধি এবং আত্মাকে শিখনের ক্ষেত্রে স্পষ্ট করে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। আধুনিক শিক্ষাক্ষেত্রে জ্ঞানলাভের বিষয় হিসেবে প্রত্যক্ষ বিশাল জায়গা জুড়ে আছে। সাংখ্য দর্শনে নির্বিকল্প এবং সবিকল্প প্রত্যক্ষ আধুনিক মনোবিদ্যার চেতন ও প্রাক-চেতন এবং অবচেতন-কে স্মরণ করিয়ে দেয়। নির্বিকল্প প্রত্যক্ষ হল সংবেদন আর সবিকল্প প্রত্যক্ষ হল বস্তু সম্পর্কে পূর্ণজ্ঞান। সাংখ্য দর্শন ও আধুনিক শিক্ষাতত্ত্বের মধ্যে বিরোধ নেই। সাংখ্য দর্শন আজ থেকে বহু বছর ধরে যে মত দিয়েছে তা আজ প্রমাণিত হয়েছে।
আরও পোস্ট পড়তে - এখানে ক্লিক করুন
সহায়ক গ্রন্থপঞ্জি- বন্দ্যোপাধ্যায়, অর্চনা। শিক্ষাদর্শন ও শিক্ষানীতি। বি. বি. কুণ্ডু গ্র্যান্ড সন্স, কলকাতা।
- পাল, অভিজিৎ কুমার। শিক্ষা দর্শনের রূপরেখা। ক্লাসিক বুকস, কলকাতা।






