শিক্ষায় শিশুকেন্দ্রিকতার ধারণা | Concept of Child Centricism in Education

শিক্ষায় শিশুকেন্দ্রিকতার ধারণা (Concept of Child Centricism in Education) মূলত এমন একটি পদ্ধতি, যেখানে শিক্ষার্থীর রুচি, আগ্রহ, সামর্থ্য-কে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। গতানুগতিক শিক্ষার দৃঢ় শৃঙ্খল-কে ভেঙ্গে এই শিক্ষাব্যবস্থা সকল শিশুকে তার নিজস্ব সৃজনশীলতা ও সম্ভাবনার বিকাশে পূর্ণ স্বাধীনতা দেয়।
শিশুকেন্দ্রিক শিক্ষার ধারণা
শিক্ষার তাৎপর্য ও অর্থ সমাজব্যবস্থা পরিবর্তনের সাথে সাথে পরিবর্তিত হয়েছে। বৈদিক যুগের শিক্ষাকে আত্ম-নির্ভরশীলতা ও আত্ম-কামনা ত্যাগ করার পন্থা হিসেবে গণ্য করা হত। প্রাচীন ভারতীয় শিক্ষাবিদ যাজ্ঞ বল্ক বলেছেন, ‘শিক্ষা সৎ চরিত্র গঠনের এবং সমাজ উপযোগী ব্যক্তিত্ব গঠনের সহায়ক কৌশল’। প্রাচীনকালে শিক্ষা ছিল জ্ঞান আহরণের কৌশল। অভিজ্ঞ ব্যক্তি বা শিক্ষকের অভিজ্ঞতা শিক্ষার্থীদের মধ্যে সঞ্চালনই ছিল শিক্ষা। এই ব্যবস্থায় শিশুর অন্তর্নিহিত ক্ষমতা, চাহিদা, প্রবণতা প্রভৃতির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হত না। শিক্ষক ছিলেন দাতা এবং শিক্ষার্থী নিষ্ক্রিয় গ্রহীতা মাত্র, বিদ্যালয় ছিল জ্ঞান বিপণনের কেন্দ্র মাত্র, শিক্ষাপদ্ধতি ছিল যান্ত্রিক, শিক্ষক ছিলেন শাসক এবং শৃঙ্খলা ছিল বাহ্যিক। শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সম্পর্ক কৃত্রিম বন্ধনে আবদ্ধ ছিল।
আধুনিক শিক্ষার প্রধান একটি বৈশিষ্ট্য হল শিশুকেন্দ্রিকতা। এই শিক্ষাব্যবস্থা মানব শিশুর আগ্রহ, রুচি, চাহিদা, ক্ষমতা প্রভৃতিকে ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। জন্ম মুহূর্তে শিশু থাকে অসহায়, শিক্ষার কাজ হল এই অসহায় অসমর্থ শিশুকে জীবন উপযোগী করে গড়ে তোলা। এই শিক্ষাব্যবস্থা গতানুগতিক শিক্ষাব্যবস্থার প্রতিবাদ স্বরূপ গড়ে উঠেছিল।
শিশুকেন্দ্রিক শিক্ষার ইংরেজি “Paido centric education” ‘Paido’ কথাটি হল- গ্রিক শব্দ এর সাধারণ অর্থ হল ‘শিশুদের খেলা’। অর্থাৎ, খেলায় যেমন স্বতঃস্ফূর্ততা থাকে তেমনি শিক্ষার ক্ষেত্রেও এরূপ স্বতঃস্ফূর্ততা থাকবে। শিশু তার সহজাত ইচ্ছা প্রবণতা অনুযায়ী শিক্ষালাভ করবে।
গতানুগতিক শিক্ষাব্যবস্থায় সম্পূর্ণ শিক্ষাপ্রক্রিয়া বৃত্তের পরিধিতে অবস্থান করত, বর্তমান সময়ে শিশুর অবস্থান হল এই বৃত্তের কেন্দ্রে, আর এই বৃত্তের পরিধিতে অবস্থান করছে শিক্ষার অন্যান্য উপাদানগুলি যেমন- পাঠক্রম, শিক্ষক, শিক্ষাপদ্ধতি এবং শিক্ষালয়। এই উপাদানগুলি শিশুকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হচ্ছে। ফলে শিক্ষাপরিকল্পনা রচনাকালে শিশুর আগ্রহ, চাহিদা, প্রবণতা, ক্ষমতা, প্রয়োজন ইত্যাদির দিকে বিশেষ নজর দিতে হবে। সুতরাং বলা যায়, শিশুকেন্দ্রিক শিক্ষার মধ্য মণি হল শিশু, শিক্ষক হলেন গৌণ ব্যক্তি বা সহায়ক মাত্র। ফরাসি দার্শনিক ও শিক্ষাবিদ জ্যাঁ জ্যাক রুশো (Jean Jacques Rousseau)-কে শিশুকেন্দ্রিক শিক্ষার জনক বলা হয়। তিনি পুঁথিগত শিক্ষার বিরোধিতা করে শিশুর নিজস্ব রুচি, চাহিদা ও অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে শিক্ষাদানের কথা বলেছেন।
শিশুকেন্দ্রিক শিক্ষার নীতিসমূহ
এই শিক্ষাব্যবস্থা পরিচালনার ক্ষেত্রে বিবিধ নিয়ম বা নীতি অনুসরণ করা যেতে পারে। যার মধ্যে কয়েকটি নিম্নে তুলে ধরা হল-
সক্রিয়তার নীতি
শিশুকেন্দ্রিক শিক্ষায় সক্রিয়তার নীতি বলতে বোঝায় যে শিখন প্রক্রিয়ার একজন শিশু কেবলমাত্র নিষ্ক্রিয় স্রোতা নয় বরং, সে শারীরিক ও মানসিক বিভিন্ন কর্ম তৎপরতায় মাধ্যমে জ্ঞান অর্জন করবে। এই নীতি বিশ্বাস করে, সক্রিয়তার মাধ্যমে পাঠদান একজন শিশুকে বাস্তব সমস্যার সম্মুখীন করবে, এবং হাতে-কলমে কাজের মাধ্যমে বাস্তব সমস্যার সমাধানে তাকে সক্ষম করে তুলবে।
সহযোগিতার নীতি
শিশুকেন্দ্রিক শিক্ষায় সক্রিয়তার নীতি হল এমন একটি সামাজিক প্রক্রিয়া, যেখানে সকল শিশুরা প্রতিযোগিতার পরিবর্তে একে অপরকে সাহায্যের মাধ্যমে শিক্ষা আহরণ করে থাকে। এই প্রকার নীতির মূল লক্ষ্য হল শিশুকে সমাজসচেতন এবং সহানুভূতিশীল হিসেবে গড়ে তোলা। এই প্রকার নীতি শিশুর শিখনকে সহজ করে তোলে।
বৈচিত্র্যময়তার নীতি
এই নীতি বিশ্বাস করে যে, প্রতি শিশুর শিখনের ধরন, তাদের মেধা এবং আগ্রহ অনন্য। অর্থাৎ, এই নীতি ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্য-কে প্রাধান্য দেয়। প্রত্যেক শিশুর সাংস্কৃতিক পটভূমি এবং রুচি আলাদা, তাই একঘেয়েমি বা গতানুগতিক পদ্ধতিতে সকল-কে শিক্ষা দেওয়া সম্ভব নয়। এছাড়াও, শিশুরা একঘেয়েমি বা একটানা জিনিস পছন্দ করে না।
পারস্পরিক বিশ্বাসের নীতি
শিশুকেন্দ্রিক শিক্ষাব্যবস্থায়, ‘পারস্পরিক বিশ্বাসের নীতি’ (Principle of Mutual Trust) বলতে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর মধ্যে গভীর শ্রদ্ধা ও বিশ্বাসের সম্পর্ক গড়ে তোলাকে বোঝায়। এই নীতি বিশ্বাস করে যে, শিক্ষা গ্রহণ বা দানের জন্য একটি ভয়মুক্ত ও মনস্তাত্ত্বিকভাবে নিরাপদ পরিবেশ অপরিহার্য।
নির্মিতিবাদের নীতি
শিশুকেন্দ্রিক শিক্ষায় এটি একটি নতুন দৃষ্টিভঙ্গি। যা বিশ্বাস করে যে, জ্ঞান শিশুর উপর জোর করে চাপিয়ে দেওয়ার বিষয় নয়; শিশু তার নিজের অভিজ্ঞতা ও সক্রিয়তার মাধ্যমে নিজের জ্ঞান সৃষ্ট করবে। এই নীতি অনুযায়ী, শিশু তার জ্ঞানের ক্ষেত্রকে চিহ্নিত করবে এবং বিভিন্ন উদাহরণ সহযোগে জ্ঞান আহরণ করবে।
দায়বদ্ধতার নীতি
শিশুকেন্দ্রিক শিক্ষাব্যবস্থায় ‘দায়বদ্ধতার নীতি’ হল এমন একটি প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে শিক্ষাকার্যক্রমের সাথে যুক্ত প্রতিটি পক্ষ যথা- শিক্ষক, শিক্ষার্থী, বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এবং অভিভাবকগণ নিজ নিজ ভূমিকা পালনের ব্যাপারে সর্বদা সচেতন থাকেন। এটি কেবল ফলাফলের প্রতিই নয়, বরং শিশুর সামগ্রিক বিকাশের প্রক্রিয়ার প্রতিই এক গভীর অঙ্গীকারের নির্দেশক।
শিশুকেন্দ্রিক শিক্ষার বৈশিষ্ট্য
শিশুকেন্দ্রিক শিক্ষাব্যবস্থা শিক্ষার নানান ক্ষেত্রে আমূল পরিবর্তন এনেছে। এই শিক্ষার বৈশিষ্ট্যগুলি হল-
- স্বাধীনতা : শিশুকেন্দ্রিক শিক্ষার কেন্দ্রবিন্দু হল শিশু। এই শিক্ষাব্যবস্থায় শিশুকে অগাধ স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে। কোন বিষয়ে জোর করে বাইরে থেকে চাপিয়ে দেওয়া হয় না।
- সক্রিয়তা ভিত্তিক : শিশুকেন্দ্রিক শিক্ষায় শিশুর সক্রিয়তার উপর জোর দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন কাজের মধ্যেদিয়ে তার সহজাত প্রবণতা ও অন্তর্নিহিত ক্ষমতার পরিপূর্ণ বিকাশ ঘটবে।
- মুক্ত শৃঙ্খলা : শিশুকেন্দ্রিক শিক্ষায় শিশুর অন্তর্জাত শৃঙ্খলার কথা বলা হয়েছে, বাইরে থেকে জোর করে শৃঙ্খলিত করার কথা এখানে বলা হয়নি। শিশু স্বতঃস্ফূর্তভাবে শৃঙ্খলিত হবে এবং কোনোরকম শাসন তার উপর চাপিয়ে দেওয়া হবে না।
- অভিজ্ঞতা ভিত্তিক : এই শিক্ষাব্যবস্থায় বাস্তব অভিজ্ঞতার ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। শিশু তার পরিবেশ থেকে বিভিন্ন অভিজ্ঞতা সঞ্চয়ের মাধ্যমে শিক্ষালাভ করবে।
- সৃজনশীলতা : শিশুর সৃজনশীল ক্ষমতার পরিপূর্ণ বিকাশের কথা বলা হয়েছে। রবীন্দ্রনাথ, গান্ধীজী, ফ্রয়েবেল, মন্তেসরি প্রমুখ দার্শনিকগণ বিভিন্ন কাজের মাধ্যমে এই ক্ষমতা বিকাশের কথা বলেছেন।
- ব্যক্তিসত্তার পরিপূর্ণ বিকাশ : এই শিক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হল শিশুর ব্যক্তিত্বের সর্বাঙ্গীণ এবং সুষম বিকাশ সাধন। পাঠক্রমে সহপাঠক্রমিক কার্যাবলীর অন্তর্ভুক্তির দ্বারা শিক্ষার্থীর দৈহিক, মানসিক, নৈতিক, সামাজিক গুণ বিকাশের ব্যবস্থা গ্রহণ শিশুকেন্দ্রিক শিক্ষার একটি সক্রিয় বৈশিষ্ট্য।
- মনোবিজ্ঞানের ওপর প্রতিষ্ঠিত : শিশুকেন্দ্রিক শিক্ষা মনোবিজ্ঞানের নীতির উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।
- উন্নত শিক্ষণপদ্ধতি : এই শিক্ষাব্যবস্থায় প্রত্যেক শিশুকে তার নিজস্ব ক্ষমতা, রুচি ও প্রবণতা অনুযায়ী শিক্ষা দেওয়া হয়। অর্থাৎ, ব্যক্তি স্বাতন্ত্র্যের নীতি বজায় রাখা হয়।
- শিক্ষক শিক্ষার্থীর সু-সম্পর্ক : এই শিক্ষাব্যবস্থার মধ্যেদিয়ে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর মধ্যে সু-সম্পর্ক গড়ে উঠবে। শিক্ষক হবেন শিক্ষার্থীর বন্ধু, দার্শনিক ও পথপ্রদর্শক। তিনি প্রয়োজনে শিক্ষার্থীকে সহায়তা করবেন।
- সহযোগিতা ভিত্তিক : শিশুকেন্দ্রিক শিক্ষাব্যবস্থায় শিক্ষাপদ্ধতি শিক্ষার্থী ও শিক্ষক উভয় সহযোগিতায় গড়ে উঠবে অর্থাৎ, দুজনে মিলে একসাথে কাজ করবে।
- বিদ্যালয় : গতানুগতিক শিক্ষাকে শিশুকেন্দ্রিক শিক্ষায় পরিণত করতে হলে বিদ্যালয় সম্পর্কে গতানুগতিক ধারণার পরিবর্তন করতে হবে। এই ক্ষেত্রে বিদ্যালয়ের হবে সমাজ জীবনের প্রতিচ্ছবি। যাতে সমাজ জীবনের সাথে বিদ্যালয় জীবনের কোন পার্থক্য না থাকে।
শিশুকেন্দ্রিক শিক্ষার বৈশিষ্ট্যগুলি আলোচনা করলে এই বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে ওঠে তা হল, শিশুকেন্দ্রিক শিক্ষার কেন্দ্রবিন্দু হল শিশু। তাই এই শিক্ষায় শিশুর চাহিদা আগ্রহ, রুচি, প্রবণতা, ইচ্ছা-অনিচ্ছা ইত্যাদিকে অত্যধিক গুরুত্ব দেওয়া হয় এবং শিশুর অন্তর্নিহিত ক্ষমতাকে বিকাশের সুযোগ করে দেওয়া হয়, যাতে তার ব্যক্তিত্বের সুষম বিকাশ সাধন ঘটে।
শিশুকেন্দ্রিক শিক্ষার তাৎপর্য
শিশুকেন্দ্রিক শিক্ষা এমন একটি শিক্ষাপদ্ধতি যেখানে শিক্ষার মূল কেন্দ্রবিন্দু থাকে শিশু—তার চাহিদা, আগ্রহ, ক্ষমতা ও অভিজ্ঞতা অনুযায়ী শিক্ষা দেওয়া হয়। এর তাৎপর্য নিচে তুলে ধরা হল-
- ব্যক্তিগত পার্থক্যের স্বীকৃতি : প্রতিটি শিশুর শেখার গতি ও ধরন আলাদা। এই পদ্ধতিতে সেই পার্থক্যকে গুরুত্ব দেওয়া হয়।
- শিখনের প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি : শিশুর পছন্দ ও আগ্রহ অনুযায়ী শিক্ষা দেওয়ায় তারা আনন্দের সঙ্গে শেখে।
- সৃজনশীলতার বিকাশ : শিশুকে নিজে চিন্তা করতে, প্রশ্ন করতে ও নতুন কিছু তৈরি করতে উৎসাহিত করা হয়।
- স্বাধীনতা ও আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি : শিশু নিজের মতো করে কাজ করার সুযোগ পায়, ফলে তার আত্মবিশ্বাস বাড়ে।
- বাস্তব জীবনের সঙ্গে সংযোগ : এই পদ্ধতিতে শেখা বিষয়গুলো বাস্তব জীবনের সাথে যুক্ত থাকে, ফলে শিখন আরও কার্যকর হয়।
- সক্রিয় অংশগ্রহণ : শিশু শুধু শুনে না, বরং কাজের বা আলোচনার মধ্যেদিয়ে শেখে, যার ফলে শিখনের গভীরতা বৃদ্ধি পায়।
- সামগ্রিক বিকাশ : শিশুর মানসিক, শারীরিক, সামাজিক ও আবেগগত সব দিকের উন্নতি ঘটে।
গতানুগতিক শিক্ষা ও শিশুকেন্দ্রিক শিক্ষার পার্থক্য
গতানুগতিক শিক্ষা ও শিশুকেন্দ্রিক শিক্ষার পার্থক্যগুলি নিম্নরূপ :
বৈশিষ্ট্য গতানুগতিক শিক্ষা শিশুকেন্দ্রিক শিক্ষা শিক্ষার কেন্দ্রবিন্দু শিক্ষকই প্রধান (Teacher-centered) শিশু বা শিক্ষার্থীই প্রধান (Student-centered) শিক্ষাদানের পদ্ধতি মুখস্থ বিদ্যা, লেকচার পদ্ধতি। এটি মূলত যান্ত্রিক পদ্ধতি। কার্যভিত্তিক, অভিজ্ঞতাভিত্তিক, খেলার মাধ্যমে শেখা। শিক্ষার্থীর ভূমিকা শিক্ষার্থী নিষ্ক্রিয়, শুধু শুনে। শিক্ষার্থী সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে। শিক্ষকের ভূমিকা শিক্ষক জ্ঞান প্রদানকারী। শিক্ষক পথপ্রদর্শক বা সহায়ক। পাঠ্যসূচি নির্দিষ্ট ও কঠোর। নমনীয় ও শিক্ষার্থীর আগ্রহ অনুযায়ী। মূল্যায়ন পদ্ধতি পরীক্ষাভিত্তিক (লিখিত পরীক্ষা)। ধারাবাহিক মূল্যায়ন, কার্যকলাপ, প্রকল্প। শিখন পরিবেশ কঠোর ও আনুষ্ঠানিক। আনন্দময়, মুক্ত ও সৃজনশীল। সৃজনশীলতা সৃজনশীলতার সুযোগ কম। সৃজনশীলতা ও চিন্তাশক্তির বিকাশ ঘটে।
আরও পোস্ট পড়তে - এখানে ক্লিক করুন
সহায়ক গ্রন্থপঞ্জি- পাল, অভিজিৎ কুমার। শিক্ষা দর্শনের রূপরেখা। ক্লাসিক বুকস, কলকাতা।
- হালদার, গৌরদাস., শর্মা, প্রশান্তকুমার। শিক্ষাতত্ত্ব ও শিক্ষানীতি। ব্যানার্জী পাবলিশার্স, কলকাতা।
- ঘোড়াই, নিমাই চাঁদ। শিক্ষাদর্শন ও সামাজিক শিক্ষা। সাঁতরা পাবলিকেশন প্রা. লি., কলকাতা।
- চন্দ, বিনায়ক। শিক্ষার প্রারম্ভিক ধারণা ও দার্শনিক ভিত্তি। আহেলি পাবলিশার্স, কলকাতা।






