সামাজিক গোষ্ঠীর ধারণা এবং শিক্ষাগত তাৎপর্য | Concept of Social Groups and Its Educational Significance

সমাজবিজ্ঞান ও শিক্ষাবিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হল (Concept of Social Groups and Its Educational Significance) সামাজিক গোষ্ঠীর ধারণা এবং শিক্ষাগত তাৎপর্য। যখন দুই বা ততোধিক ব্যক্তি সাধারণ উদ্দেশ্য বা পারস্পরিক সম্পর্কের ভিত্তিতে একত্রিত হয়, তখন তাকে গোষ্ঠী বলে। তবে এই সামাজিক গোষ্ঠী কেবল সমাজের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, শিক্ষাক্ষেত্রেও এর গুরুত্ব অপরিসীম। গ্রিক দার্শনিক অ্যারিস্টটল বলেছিলেন, মানুষ স্বভাবগতভাবেই সামাজিক জীব। মানব আচরণের রূপান্তর এবং ব্যক্তিত্ব গঠনে সামাজিক গোষ্ঠী একটি প্রাথমিক উপাদান হিসেবে কাজ করে।
সামাজিক গোষ্ঠীর অর্থ
মানুষ হল সামাজিক জীব। সমাজবদ্ধভাবে সে বসবাস করে। মানুষ সমাজেই জন্মায় সমাজেই বড় হয় এবং সমাজে থেকেই মৃত্যুবরণ করে। সমাজের বাইরে স্বাভাবিকভাবে মানুষের অস্তিত্ব অসম্ভব। সমাজ ছাড়া মানুষ হয় পশু না হয় ভগবান। আমাদের মধ্যে সামাজিকতার সূত্রপাত হয় পরিবার থেকে। তারপর পরিবারের সীমা অতিক্রম করে বৃহত্তর অসামাজিক গণ্ডিতে প্রবিষ্ট হই। এই প্রক্রিয়াকে বলা হয় সামাজিকীকরণ। ব্যক্তির ব্যক্তিত্ব বিকশিত হতে এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ভাবধারা আয়ত্ত করার জন্য যে সংগঠনের মাধ্যমে এই কার্যধারা সম্পাদিত হয় সেগুলিকে বলা হয় গোষ্ঠী। মানুষ তার সমাজ ও সংস্কৃতির নানান দিক ও বৈশিষ্ট্য অনুভব করতে পারে এই সামাজিক গোষ্ঠীর মাধ্যমে। আমাদের যাবতীয় দৈনন্দিন ক্রিয়াকলাপ সম্পাদিত হয় সামাজিক গোষ্ঠীর মাধ্যমে। বস্তুত সামাজিক ব্যক্তিবর্গের ব্যক্তিত্বের পূর্ণ বিকাশ ঘটে গোষ্ঠী জীবনের মাধ্যমে। এককথায় বলা যায়, যখন কিছু ব্যক্তির মধ্যে সামাজিক মিথস্ক্রিয়া সংগঠিত হয় তার সমষ্টিকে বলা হয় ‘সামাজিক গোষ্ঠী’ (Social Groups)।
সামাজিক গোষ্ঠীর সংজ্ঞা
বিভিন্ন সমাজতাত্ত্বিকের দেওয়া সামাজিক গোষ্ঠী সম্পর্কিত সংজ্ঞার কয়েকটি নিম্নে তুলে ধরা হল-
অগবার্ন ও নিমকফ (Ogburn and Nimkoff)-এর মতে, “যখন দুই বা ততোধিক ব্যক্তি একত্রিত হয় এবং একে অপরকে প্রভাবিত করে, তখনই বলা যেতে পারে যে তারা একটি সামাজিক গোষ্ঠী গঠন করে।”
গ্রিন (Green) তাঁর “Sociology” নামক শীর্ষক গ্রন্থে বলেছেন- “A group is an aggregate of individuals which persists in time, which has one or more interest and activities in common and which is organized.” অর্থাৎ, গোষ্ঠী হল ব্যক্তিদ্বয়ের এমন একটি সমষ্টি, যা সময়ের সাথে টিকে থাকে; যার এক বা একাধিক অভিন্ন স্বার্থ ও কার্যকলাপ রয়েছে এবং যা সুসংগঠিত।
সামাজিক গোষ্ঠীর বৈশিষ্ট্য
সামাজিক গোষ্ঠীর প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ নিম্নে আলোচনা করা হল-
- সমাজ স্বীকৃত সংগঠন : যেহেতু সমাজের সদস্যদের নিয়ে গড়ে ওঠে তাই সামাজিক গোষ্ঠীর একটি সামাজিক স্বীকৃতি থাকতে হবে।
- ব্যক্তি সমষ্টি : সামাজিক গোষ্ঠী সমাজের কিছু ব্যক্তির সমষ্টি কিংবা দলকে নির্দেশ করে।
- আদর্শ : প্রত্যেক সামাজিক গোষ্ঠীর একটি নির্দিষ্ট আদর্শ ও মূল্যবোধ থাকে, গোষ্ঠীর সদস্যরাই সেই সম্পর্কে সচেতন থাকে।
- রীতিনীতি : প্রত্যেক গোষ্ঠীর কিছু রীতিনীতি থাকে যা গোষ্ঠীর সকলকে মেনে চলতে হয়।
- নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য : প্রত্যেক গোষ্ঠীর নির্দিষ্ট কিছু উদ্দেশ্য বা স্বার্থ নিয়ে সৃষ্টি হয়।
- সমাজ জীবনের ভিত্তি : গোষ্ঠী জীবন হল মানুষের সমাজ জীবনের বুনিয়াদ স্বরূপ।
- সমাজ-সংস্কৃতির ধারক ও বাহক : আমাদের সমাজ ও সংস্কৃতির ধারক ও বাহক হল এই সামাজিক গোষ্ঠীগুলি।
সামাজিক গোষ্ঠীর প্রকারভেদ
মার্কিন সমাজতত্ত্ববিদ কুলি (Cooley) তাঁর “Social Organization” গ্রন্থে সামাজিক গোষ্ঠীকে দুটি শ্রেণীতে ভাগ করেছেন। যথা- ১) প্রাথমিক গোষ্ঠী এবং ২) গৌণ গোষ্ঠী।
প্রাথমিক গোষ্ঠী (Primary Group)
প্রাথমিক গোষ্ঠীর সংজ্ঞা
অধ্যাপক কুলি (Cooley)-র মতে, মানুষের মুখোমুখি বা প্রত্যক্ষ সম্পর্কের উপর ভিত্তি করে যে গোষ্ঠী গড়ে ওঠে তাই হল প্রাথমিক গোষ্ঠী। প্রাথমিক গোষ্ঠীর প্রধান উদাহরণগুলি হল- পরিবার, খেলার দল প্রভৃতি। সমাজের অপেক্ষাকৃত ক্ষুদ্রতম গোষ্ঠী হল প্রাথমিক গোষ্ঠী। অল্পসংখ্যক মানুষের অন্তরঙ্গ সম্পর্কের মধ্যদিয়েই এই গোষ্ঠী গঠিত হয়। ম্যাকাইভার ও পেজ (MacIver and Page)-এর মতে, “প্রাথমিক গোষ্ঠী মানবসমাজের সহজ, সরল ও অন্তরঙ্গ গোষ্ঠী।”
প্রাথমিক গোষ্ঠীর বৈশিষ্ট্য
- ক্ষুদ্র আয়তন : প্রাথমিক গোষ্ঠীর সদস্যদের মধ্যে যেহেতু গভীর অন্তরঙ্গ সম্পর্ক থাকে তাই এর আয়তন ক্ষুদ্র হয়।
- আমরা বোধ : প্রাথমিক গোষ্ঠীর সদস্যদের মধ্যে যেহেতু অন্তরঙ্গতা এবং সম্প্রীতির ভাব থাকে তাই ‘আমরা বোধ’ (we-feeling) গড়ে ওঠে।
- দৈহিক নৈকট্য : দৈহিক নৈকট্য প্রাথমিক গোষ্ঠীর অপর একটি বৈশিষ্ট্য, ব্যক্তিগত সান্নিধ্য সদস্যদের মতামত এবং পারস্পরিক আদান-প্রদানকে সহজ ও সরল করে।
- উদ্দেশ্যের অভিন্নতা : প্রাথমিক গোষ্ঠীর সদস্যদের মধ্যে উদ্দেশ্যও মনোভাবের সমতা লক্ষ্য করা যায়।
- স্থায়িত্ব : প্রাথমিক গোষ্ঠীর স্থায়িত্ব অনেক বেশি, এই গোষ্ঠীর সদস্যদের মধ্যে জন্মগত সম্পর্ক থাকে তাই স্থায়িত্ব অনেক বেশি হয়।
- সদস্যপদ অনৈচ্ছিক : এই গোষ্ঠীর সদস্য পদ অনৈচ্ছিক, কারণ জন্মের সাথে সাথেই মানুষ প্রাথমিক গোষ্ঠীর সদস্য হয়ে যায়।
- নিয়ন্ত্রণ : প্রাথমিক গোষ্ঠীর সদস্যদের নিয়ন্ত্রণ ওই গোষ্ঠীর বয়স্ক সদস্যদের দ্বারা হয়ে থাকে, তাই প্রাথমিক গোষ্ঠী অনেক বেশি শৃঙ্খলাবদ্ধ।
- ব্যক্তিগত সম্পর্ক : প্রাথমিক গোষ্ঠীর সদস্যদের মধ্যে ব্যক্তিগত সম্পর্ক গড়ে ওঠে ফলে সম্পর্কের বন্ধন অনেক বেশি দৃঢ় হয়।
- সামাজিকীকরণের মাধ্যম : জন্মগ্রহণের পর শিশু পরিবারেই বড় হয় পরিবারের মধ্যে থেকেই সমাজের রীতি-নীতি শেখে তাই সামাজিকীকরণে প্রাথমিক গোষ্ঠীর ভূমিকা অনেকখানি।
শিক্ষাক্ষেত্রে প্রাথমিক গোষ্ঠীর ভূমিকা
প্রাথমিক গোষ্ঠীগুলি শিক্ষাক্ষেত্রে এবং সমাজের বিভিন্ন ভূমিকা পালন করে থাকে তা হল-
- প্রাথমিক গোষ্ঠীগুলি সামাজিকীকরণের সাহায্য করে।
- সংস্কৃতির সঞ্চালন সম্ভব হয় প্রাথমিক গোষ্ঠীর মাধ্যমে।
- ব্যক্তিত্বের বিকাশে সাহায্য করে।
- প্রাথমিক গোষ্ঠীগুলি শিশুদের মধ্যে সহযোগিতার মনোভাব গড়ে তোলে।
- শিশুদের মধ্যে ‘আমরা বোধ’ গড়ে ওঠে। এবং স্বার্থপরতার মনোভাব দূরীভূত হয়।
- প্রাথমিক গোষ্ঠীগুলির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সর্বাঙ্গীণ বিকাশ ঘটে থাকে।
- ভিন্ন সামাজিক গুণাবলীর বিকাশ গড়ে ওঠে। যেমন- সহযোগিতা ও সহমর্মিতা, সহানুভূতি।
- সু-অভ্যাস গঠনে সাহায্য করে।
- ভাষার বিকাশে সাহায্য করে।
- শিশুর বৃত্তিশিক্ষার ক্ষেত্রে প্রাথমিক গোষ্ঠী বিশেষ ভূমিকা পালন করে।
গৌণ গোষ্ঠী (Secondary Group)
গৌণ গোষ্ঠীর সংজ্ঞা
মানবসমাজে প্রাথমিক গোষ্ঠীর যে বৈশিষ্ট্যগুলি দেখা যায় ঠিক তার বিপরীত হল গৌণ গোষ্ঠী। এখানে সদস্যদের মধ্যে কোনো প্রত্যক্ষ পরিচয় থাকে না। তাই সম্পর্ক খানিকটা ভাসাভাসা হয়। গৌণ গোষ্ঠী বিশেষ উদ্দেশ্যকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠে। এখানে সদস্যদের মধ্যে আন্তরিক সম্পর্ক থাকে না, আয়তনেও বৃহৎ হয়। যেমন- রাজনৈতিক দল, ছাত্রসংসদ, শ্রমিক সংগঠন। সমাজতত্ত্ববিদ কুলি (Cooley)-এর মতে, “Secondary groups are those in which primary and semi primary characteristics are absent.” অর্থাৎ, গৌণ গোষ্ঠী হল সেইসব গোষ্ঠী, যেগুলিতে প্রাথমিক ও আধা-প্রাথমিক গোষ্ঠীর বৈশিষ্ট্য অনুপস্থিত।
গৌণ গোষ্ঠীর বৈশিষ্ট্য
গৌণ গোষ্ঠীর যেসকল বৈশিষ্ট্যগুলি দেখা যায়, সেগুলি হল-
- উদ্দেশ্য নির্ভর : গৌণ গোষ্ঠী বিশেষ স্বার্থের ওপর ভিত্তি করে সুনির্দিষ্ট নিয়মে গড়ে ওঠে।
- পরোক্ষ সহযোগিতা : গৌণ গোষ্ঠীর সদস্যরা পরোক্ষভাবে সহযোগিতা পেয়ে থাকে।
- বৃহদায়তন : গোষ্ঠীগুলো আয়তনে সুবৃহৎ, এর সদস্য সংখ্যাও সুবৃহৎ।
- সদস্যপদ : গৌণ গোষ্ঠীর সদস্য পদ বাধ্যতামূলক নয়, গৌণ গোষ্ঠীর সদস্য পদ সদস্যদের ইচ্ছাধীন।
- অস্থায়ী : গৌণ গোষ্ঠী যেহেতু উদ্দেশ্যকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠে, তাই উদ্দেশ্য পূরণ হয়ে গেলে অনেক সময় গোষ্ঠীর অস্তিত্ব হারিয়ে যায়।
- ব্যক্তির মর্যাদা ভূমিকা নির্ভর : গৌণ গোষ্ঠীর সদস্যদের মর্যাদা তাদের ভূমিকার ওপর নির্ভর করে।
- বাহ্যিক সম্পর্ক : গৌণ গোষ্ঠীর সদস্যদের মধ্যে সম্পর্ক বাহ্যিক এবং নৈর্ব্যক্তিক কারণ এখানে আন্তরিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে না।
- মুখোমুখি সম্পর্ক থাকে না : গৌণ গোষ্ঠীর সদস্যদের মধ্যে যেহেতু দৈহিক নৈকট্য থাকেনা, তাই মুখোমুখি পরিচয় বিশেষ থাকে না।
শিক্ষাক্ষেত্রে গৌণ গোষ্ঠীর ভূমিকা
গৌণ গোষ্ঠী শিক্ষাক্ষেত্রে এবং মানব জীবনে যে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে, সেগুলি হল –
- ব্যক্তির পরিপূর্ণ বিকাশ ব্যক্তিত্ব গঠন ও অভিযোজনে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে গৌণ গোষ্ঠী।
- গৌণ গোষ্ঠীর দ্বারা সমাজের ব্যক্তিবর্গ কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি হয়ে থাকে।
- গৌণ গোষ্ঠীর দ্বারা সমাজের মানুষের সংকীর্ণ মনোভাব দূর করা যায়।
- মানুষের চিন্তা ভাবনার প্রসারের ক্ষেত্রে গৌণ গোষ্ঠী বিশেষ ভূমিকা পালন করে।
- গৌণ গোষ্ঠীর মাধ্যমে মানুষের বিভিন্ন সামাজিক গুণাবলীর বিকাশ ঘটে।
- বিভিন্ন মানুষের সমন্বয় ঘটে বলে ব্যক্তিত্বের বিকাশ ঘটা সম্ভব।
- অনেক গৌণ গোষ্ঠী আছে যেগুলি জাতীয় সংহতি বোধের বিকাশ ঘটায়।
উপরোক্ত দুই প্রকার গোষ্ঠী ছাড়াও আরও একপ্রকার গোষ্ঠী আছে।
স্বল্পস্থায়ী বা তাৎক্ষণিক গোষ্ঠী (Tertiary Group)
সমাজে হঠাৎ হঠাৎ এমন কিছু জনসমাগম হয় যা তাৎক্ষণিক গোষ্ঠী বা স্বল্পস্থায়ী গোষ্ঠী নামে পরিচিত, এখানে সদস্যদের মধ্যে কোনো প্রত্যক্ষ সম্পর্ক থাকে না। কিন্তু সদস্যরা কোনো একটা নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যের পরিপ্রেক্ষিতে একসাথে জমায়েত হয়। আবার উদ্দেশ্যপূরণ হয়ে গেলে পর জমায়েত সরে যায়, একেই স্বল্পস্থায়ী গোষ্ঠী বা Tertiary Group বলা হয়। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়- বাস বা ট্রেন যাত্রী, অ্যাক্সিডেন্ট-এর সময় ভিড়, লিফটে চলাচলকারী লোকজন, জনসভা ইত্যাদি।
পরিশেষে বলা যায় যে, সামাজিক গোষ্ঠীর বিভিন্ন শ্রেণিবিন্যাস, যেমন- প্রাথমিক গোষ্ঠী (Primary Group), গৌণ গোষ্ঠী (Secondary Group), স্বল্পস্থায়ী বা তাৎক্ষণিক গোষ্ঠী (Tertiary Group) পরস্পরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করে এবং এর মাধ্যমেই মানব সামাজিক জীবন পূর্ণতা লাভ করে। ঠিক যেভাবে পরিবার-এর মতো প্রাথমিক গোষ্ঠীগুলো আমাদের মানসিক নিরাপত্তা ও নৈতিক মূল্যবোধের ভিত্তি স্থাপন করে, তেমনি বিদ্যালয় বা কর্মক্ষেত্রের মতো মাধ্যমিক গোষ্ঠীগুলো আমাদের বৃহত্তর সমাজের রীতিনীতি এবং পেশাদারিত্বের মূলনীতিগুলো শিক্ষা দেয়। শিক্ষার ক্ষেত্রে, সামাজিক গোষ্ঠীর এই স্বতন্ত্র ধরনগুলো সম্পর্কে সম্যক ধারণা থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ; কারণ এদের সম্মিলিত প্রভাবই একজন শিক্ষার্থীকে কেবল প্রথাগত প্রাতিষ্ঠানিক জ্ঞানই প্রদান করে না, বরং তাকে সমাজের একজন দায়িত্বশীল ও বিবেকবান নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতেও সহায়তা করে।
আরও পোস্ট পড়তে - এখানে ক্লিক করুন
সহায়ক গ্রন্থপঞ্জি- চট্টরাজ, অধ্যাপক শ্যামাপ্রসাদ। শিক্ষামুখী সমাজবিজ্ঞান। সেন্ট্রাল লাইব্রেরী, কলকাতা।
- পাল, ড. দেবাশিস। শিক্ষার সমাজতাত্ত্বিক ভিত্তির রূপরেখা। রীতা বুক এজেন্সি, কলকাতা।
- তরফদার, ড. মঞ্জুষা। শিক্ষাশ্রয়ী সমাজবিজ্ঞান। কে. চক্রবর্তী পাবলিকেশনস্, কলকাতা।
- চক্রবর্তী, ড. সোনালী। শিক্ষার সমাজ বৈজ্ঞানিক ভিত্তি। সোমা বুক এজেন্সি, কলকাতা।
- ভট্টাচার্য, দিব্যেন্দু। শিক্ষা ও সমাজতত্ত্ব। পিয়ারসন, কলকাতা।
- ঘোড়াই, নিমাই চাঁদ। শিক্ষাদর্শন ও সামাজিক শিক্ষা। সাঁতরা পাবলিকেশন প্রা. লি., কলকাতা।






