শিখনের প্রাচীন অনুবর্তন তত্ত্ব | Classical Conditioning Theory of Learning

শিখনের প্রাচীন অনুবর্তন তত্ত্বটি (Classical Conditioning Theory of Learning) শিক্ষা মনোবিজ্ঞানের আচরণবাদী ধারায়, উদ্দীপক ও প্রতিক্রিয়ার পারস্পরিক অনুষঙ্গের মাধ্যমে শিখন প্রক্রিয়াকে ব্যাখ্যা করার ক্ষেত্রে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও মৌলিক ধারণা হিসেবে বিবেচিত হয়। বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে কুকুরের লালা নিঃসরণ নিয়ে গবেষণাকালে নোবেলজয়ী রাশিয়ান শারীরতত্ত্ববিদ আইভান প্যাভলভ (Ivan Pavlov) এই তত্ত্বটি আবিষ্কার করেন। প্যাভলভ দেখান যে, যখন কোনো স্বাভাবিক উদ্দীপকের পাশাপাশি বারবার একটি কৃত্রিম উদ্দীপক উপস্থাপন করা হয়, তখন প্রাণীটি একসময় কৃত্রিম উদ্দীপকের প্রতিও সেই স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়াটিই প্রদর্শন করতে শুরু করে। এই নিবন্ধে আমরা প্যাভলভের সেই ঐতিহাসিক পরীক্ষা, প্রাচীন অনুবর্তনের মূল নীতি এবং শিক্ষাক্ষেত্রে এর ব্যবহারিক প্রয়োগ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব।

 

প্রাচীন অনুবর্তন তত্ত্ব

শিখন প্রক্রিয়ায় প্রাচীন অনুবর্তন (Classical Conditioning) তত্ত্বের প্রবর্তক ছিলেন রুশ শারীরতত্ত্ববিদ আইভান প্যাভলভ (১৮৪৯–১৯৩৬)। পরিপাকতন্ত্রের কার্যপ্রণালী নিয়ে গবেষণার জন্য তিনি ১৯০৪ সালে নোবেল পুরস্কার পান; বিশেষ করে কুকুরদের পাকস্থলী থেকে পাচক রস (Gastric juice) নিঃসরণের প্রক্রিয়ার প্রতি তাঁর গভীর আগ্রহ ছিল। তাঁর এই আবিষ্কার শিক্ষাক্ষেত্রে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন নিয়ে আসে। অনুবর্তন বা সাপেক্ষীকরণ বলতে স্বাভাবিক বা সহজাত প্রতিক্রিয়াকে পরিবর্তিত করাকে বোঝায়। অনুবর্তন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্যাভলভ তাঁর পরীক্ষায় ব্যবহৃত কুকুরগুলোর আচরণ পরিবর্তন করেছিলেন। বর্তমানে আমরা কোনো শিক্ষার্থীর আচরণ এমনভাবে পরিবর্তন করি যাতে কোনো নির্দিষ্ট উদ্দীপকের সাথে যুক্ত স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়াটি পরবর্তীতে অন্য একটি উদ্দীপকের মাধ্যমেও জাগিয়ে তোলা সম্ভব হয়। প্যাভলভের কুকুরের ওপর করা বিখ্যাত পরীক্ষাটি অনুবর্তনের প্রক্রিয়াটিকে স্পষ্টভাবে বুঝতে সহায়তা করে।

 

প্যাভলভের পরীক্ষা

একটি পরীক্ষায়, প্যাভলভ একটি কুকুরকে সারা রাত অভুক্ত রাখেন এবং এরপর কুকুরটিকে একটি বিশেষ ও যান্ত্রিকভাবে নিয়ন্ত্রিত যন্ত্রযুক্ত পরীক্ষামূলক টেবিলে আটকে রাখেন। কুকুরটিকে আরামদায়কভাবে বসানো হয় এবং মনোযোগ বিঘ্নিত করতে পারে এমন বিষয়গুলো যথাসম্ভব দূর করা হয়। পর্যবেক্ষক (প্যাভলভ) কুকুরটির দৃষ্টিসীমার বাইরে অবস্থান করলেও আয়না ব্যবস্থার সাহায্যে প্রাণীটির সমস্ত নড়াচড়া পর্যবেক্ষণ করতে সক্ষম ছিলেন।

Fig : Diagrammatic view of Pavlov’s Experiment

কুকুরটিকে খাবার দেওয়ার জন্য একটি স্বয়ংক্রিয় যন্ত্র স্থাপন করা হয়েছিল। খাবারটি সামনে আনার ঠিক মুহূর্তেই একটি ঘণ্টা বাজানো হতো। খাবার দেখে কুকুরের লালা নিঃসরণ হওয়াটা ছিল একটি স্বাভাবিক বিষয়। নিঃসৃত লালা একটি নলের মাধ্যমে সংগ্রহ করা হতো এবং তার পরিমাণ পরিমাপ করা হতো। পরীক্ষাটি বেশ কয়েক দিন ধরে চলেছিল। এরপর একদিন ঘণ্টা বাজানো হল, কিন্তু কোনো খাবার দেওয়া হল না। তা সত্ত্বেও কুকুরটির লালা নিঃসরণ হল। দেখা গেল যে, পরবর্তী দিনগুলোতেও কেবল ঘণ্টা বাজানোর ফলেই সমপরিমাণ লালা নিঃসরণ হতে থাকল। যদিও লালা নিঃসরণের প্রতিক্রিয়াটি শুরুর মূল উদ্দীপক ছিল খাবার, তবুও প্রক্রিয়াটিকে এমনভাবে অনুবর্তিত (Conditioned) করা হয়েছিল যে, অন্য একটি উদ্দীপক যার সাথে লালা নিঃসরণের কোনো স্বাভাবিক সম্পর্ক ছিল না তাই সেই প্রতিক্রিয়াটি ঘটাতে শুরু করল।

Fig : Diagrammatic representation of Pavlov’s Experiment
পর্যবেক্ষণ

খাবার হল ‘স্বাভাবিক উদ্দীপক’ (Natural Stimulus), কারণ এটি কুকুরটিকে প্রতিক্রিয়া দেখাতে উদ্বুদ্ধ করে; আর সেই প্রতিক্রিয়াটি হল লালা নিঃসরণ। ঘণ্টা বাজানোটা হল একটি ‘কৃত্রিম উদ্দীপক’ (Artificial Stimulus), যাকে অনুবর্তিত উদ্দীপক (Conditioned Stimulus)-ও বলা হয়। ঘণ্টার জবাবে কুকুরটি যে প্রতিক্রিয়া দেখায়, তাকে বলা হয় অনুবর্তিত প্রতিক্রিয়া (Conditioned Response)। সুতরাং, অনুবর্তন বা সাপেক্ষীকরণ হল স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়ারই একটি পরিবর্তিত রূপ। এখানে ব্যবহৃত সংক্ষিপ্ত রূপগুলো হল- NS for Natural Stimulus (স্বাভাবিক উদ্দীপক), CS for Conditioned Stimulus (অনুবর্তিত উদ্দীপক), NR for Natural Response (স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া) এবং CR for Conditioned Response (অনুবর্তিত প্রতিক্রিয়া)।

প্রাচীন অনুবর্তনের উপাদানসমূহ

প্যাভলভ তাঁর পরীক্ষা-নিরীক্ষায় ব্যবহৃত বিভিন্ন উপাদান পর্যালোচনার মাধ্যমে আমরা প্রাচীন অনুবর্তন সম্পর্কে আরও ভালোভাবে বুঝতে পারি:

  • অননুবর্তিত উদ্দীপক (Unconditioned Stimulus – UCS)
  • অনুবর্তিত উদ্দীপক (Conditioned Stimulus – CS)
  • অননুবর্তিত প্রতিক্রিয়া (Unconditioned Response – UCR)
  • অনুবর্তিত প্রতিক্রিয়া (Conditioned Response – CR)
পরীক্ষা থেকে গৃহীত সিদ্ধান্ত

কুকুরটি একটি অস্বাভাবিক উদ্দীপকের প্রতি নতুন প্রতিক্রিয়া দেখাতে সক্ষম। স্বাভাবিকভাবে ঘণ্টার শব্দ লালা নিঃসরণ ঘটায় না; তাই লালা নিঃসরণের ক্ষেত্রে ঘণ্টার শব্দ একটি নিরপেক্ষ উদ্দীপক। কিন্তু দেখা গেছে যে, খাদ্যের সাথে বারবার উপস্থাপন করার ফলে ওই নিরপেক্ষ উদ্দীপকটি লালা নিঃসরণের মতো স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া ঘটাতে সক্ষম হচ্ছে। অর্থাৎ, নিরপেক্ষ উদ্দীপক ঘণ্টার শব্দের সাথে লালা নিঃসরণের একটি অনুষঙ্গ বা সংযোগ গড়ে ওঠে। প্যাভলভ এই প্রক্রিয়াকেই ‘অনুবর্তন’ বা ‘সাপেক্ষীকরণ’ বলে অভিহিত করেছেন।

 

প্রাচীন অনুবর্তনের নীতিসমূহ

প্যাভলভ তাঁর তত্ত্বকে ব্যাখ্যা করার জন্য অনুবর্তনের বেশ কয়েকটি নীতি তুলে ধরেছিলেন। যা নিম্নে বিস্তারিত আলোচনা করা হল-

শক্তিদায়ক সত্তা (Reinforcement)

শক্তিদায়ক সত্তা বলতে একটি অননুবর্তিত উদ্দীপকের (Unconditioned stimulus) মাধ্যমে একটি অনুবর্তিত উদ্দীপককে (Conditioned stimulus) শক্তিশালী করাকে বোঝায়। যেমন- ঘণ্টার শব্দের ঠিক পরেই খাবার উপস্থাপন করা। প্যাভলভের মতে, সাপেক্ষীকরণ বা অনুবর্তন কেবল শক্তিদায়ক সত্তার মাধ্যমেই ঘটে। যদি ঘণ্টার শব্দকে মাংস বা খাবার দিয়ে শক্তিশালী (Reinforce) না করা হতো, তবে কোনো সাপেক্ষীকরণই ঘটত না; এই প্রক্রিয়াটিই হল রিইনফোর্সমেন্ট বা শক্তিদায়ক সত্তা।

ক্রম ও সময়ের ব্যবধানের নীতি (Principle of Sequence and Time Intervals)

অনুবর্তিত উদ্দীপক এবং অননুবর্তিত উদ্দীপক উপস্থাপনের মধ্যে একটি উপযুক্ত বা কাম্য সময়ের ব্যবধান থাকা আবশ্যক। যদি এই উপযুক্ত ব্যবধানটি পরিবর্তিত হয় অর্থাৎ সময়কাল বাড়ানো বা কমানো হয় তবে কোনো সাপেক্ষীকরণ বা অনুষঙ্গ (Association) তৈরি হবে না।

বিলোপের নীতি (Principle of Extinction)

যদি ঘণ্টার শব্দের পরে খাবার উপস্থাপন করা না হয়, তবে কোনো শক্তিদায়ক সত্তা (Reinforcement) ঘটে না। অবশেষে এমন একটি পর্যায় আসে যখন কুকুরটির আর লালা নিঃসরণ হয় না; এই প্রক্রিয়াটি ‘বিলুপ্তি’ (Extinction) নামে পরিচিত। প্যাভলভ তাঁর পরীক্ষায় লক্ষ্য করেছিলেন যে, পরীক্ষামূলক প্রয়াসগুলোর (Test trials) মধ্যবর্তী সময়ের ব্যবধান বাড়িয়ে দিলে সাড়াদানের প্রক্রিয়াটি আরও দ্রুত বিলুপ্ত হয়ে যায়।

স্বতঃস্ফূর্ত পুনরুদ্ধারের নীতি (Principle of Spontaneous Recovery)

স্বতঃস্ফূর্ত পুনরুদ্ধারের নীতিটি ব্যাখ্যা করে যে, সময়ের ব্যবধানের কারণে কোনো প্রতিক্রিয়া পুরোপুরি হারিয়ে যায় না; বরং অনুবর্তিত প্রতিক্রিয়া (CR) সাময়িকভাবে অবদমিত বা স্থগিত হয়ে পড়ে। কুকুরটিকে পরীক্ষামূলক পরিবেশ থেকে সরিয়ে নেওয়ার পর কিছু সময় অতিবাহিত হলে যখন তাকে পুনরায় সেই পরিবেশে ফিরিয়ে আনা হয়, তখন সে অনুবর্তিত উদ্দীপকের (CS) প্রতি গ্যাস্ট্রিক নিঃসরণের মাধ্যমে সাড়া দেয়। এই প্রক্রিয়াটিকেই ‘স্বতঃস্ফূর্ত পুনরুদ্ধার’ বলা হয়।

উদ্দীপকের সাধারণীকরণের নীতি (Principle of Stimulus Generalization)

এই নীতি অনুযায়ী, যদি আমরা কোনো নির্দিষ্ট উদ্দীপকের (যেমন- ঘণ্টার শব্দ) প্রতি সাপেক্ষীকৃত হই, তবে আমরা ঘণ্টার শব্দের মতো অন্যান্য শব্দের প্রতিও একইভাবে সাড়া দেওয়ার প্রবণতা দেখাই। অনুবর্তনের মাধ্যমে শিখনের প্রাথমিক পর্যায়ে, প্রাণীটি কেবল মূল অনুবর্তিত উদ্দীপকের প্রতিই নয়, বরং অন্যান্য সম্পর্কিত উদ্দীপকের প্রতিও সাড়া দেয়। মূল উদ্দীপকের প্রতি সাড়াটি সবচেয়ে শক্তিশালী হয়, আর মূল উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্য কম এমন উদ্দীপকের ক্ষেত্রে সাড়া ক্রমশ ক্ষীণ হতে থাকে।

উদ্দীপকের পৃথকীকরণের নীতি (Principle of Stimulus Discrimination)

যখন দুটি উদ্দীপকের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য থাকে, তখন কোনো প্রাণীকে কেবল একটির প্রতি সাড়া দেওয়ার জন্য অনুবর্তিত করা সম্ভব। একটি উদ্দীপককে ধারাবাহিকভাবে শক্তিদায়ক সত্তা (Reinforcement) প্রদান করে এবং অন্যটির ক্ষেত্রে তা বর্জন বা স্থগিত রেখে এটি অর্জন করা হয়। এমন দুটি উদ্দীপক যা শুরুতে প্রায় অভিন্ন প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছিল তাদের প্রতি ভিন্ন ভিন্ন সাড়া দেওয়ার জন্য প্রাণীকে অনুবর্তিত করা যেতে পারে। এভাবেই আমরা চা বা কফির বিভিন্ন ব্র্যান্ডের প্রতি ভিন্নভাবে সাড়া দিতে শিখি। তবে, প্রাণীর ওপর অতিরিক্ত চাপ প্রয়োগ করলে ‘Experimental neurosis’ বা পরীক্ষামূলক স্নায়ুবিক বিকার দেখা দিতে পারে। গবেষণাগারে, যখন একটি কুকুরকে দুটি অত্যন্ত সদৃশ উপবৃত্তের (Ellipses) মধ্যে পার্থক্য করতে বাধ্য করা হয়েছিল, তখন পরীক্ষার সময় সেটি ঘ্যানঘ্যান বা আর্তনাদ করতে শুরু করেছিল। এটি স্পষ্ট যে, একটি নির্দিষ্ট উদ্দীপকের প্রতি সাড়া জাগিয়ে তোলা কেবল নির্বাচিত শক্তিদায়ক সত্তার মাধ্যমেই সম্ভব।

 

প্রাচীন অনুবর্তন তত্ত্বের শিক্ষাগত তাৎপর্য

প্রাচীন অনুবর্তন তত্ত্বের শিক্ষাগত তাৎপর্য নিম্নরূপ:

  1. এই তত্ত্ব অনুযায়ী, কোনো কাজ শুরু করার আগে তাতে দক্ষতা অর্জন করা এবং কাজটি কার্যকরভাবে সম্পাদন করতে পারার সক্ষমতা থাকা একান্ত জরুরি। এর অর্থ হল, কোনো নতুন উদ্দীপক বা তথ্যের সাথে পরিচিত হওয়ার আগেই একজন শিক্ষার্থীকে একটি নির্দিষ্ট উদ্দীপকের প্রতি সাড়া দেওয়ার সক্ষমতা অর্জন করতে হবে।
  2. শিক্ষার্থীদের মধ্যে শিখনের প্রতি আগ্রহ বা অনুপ্রেরণা কীভাবে জাগিয়ে তোলা যায়, তা শিক্ষকদের জানা উচিত। শিক্ষাদান ও শিখন কার্যক্রমে শিক্ষার্থীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে পারে এমন বিভিন্ন কৌশল সম্পর্কে তাঁদের স্পষ্ট ধারণা ও দক্ষতা থাকা প্রয়োজন।
  3. অধিকাংশ প্রাক্ষোভিক প্রতিক্রিয়া প্রাচীন অনুবর্তন-এর মাধ্যমে অর্জিত হতে পারে। কোনো নির্দিষ্ট উদ্দীপকের সাথে গড়ে ওঠা অনুষঙ্গ বা সংযোগ থেকেই ইতিবাচক বা নেতিবাচক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। উদাহরণস্বরূপ, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় শিক্ষার উপকরণ সরবরাহ করলে তাদের মধ্যে বিদ্যালয় ও পড়াশোনার প্রতি ইতিবাচক মনোভাব গড়ে ওঠে; অন্যদিকে, শাস্তির ব্যবহার তাদের বিদ্যালয়ে উপস্থিত হওয়ার বিষয়ে নিরুৎসাহিত করে।
  4. অনুবর্তন ক্রিয়ায় অপানুবর্তন ঘটিয়ে শিশুদের মধ্যে থেকে নানা ধরনের কুসংস্কার দূর করা সম্ভব।
  5. প্রাচীন অনুবর্তন প্রক্রিয়ার সাহায্যে শিক্ষকগণ শিশুদের মধ্যে নানা ধরনের সু-অভ্যাস গড়ে তুলতে সক্ষম।

 

 

আরও পোস্ট পড়তে - এখানে ক্লিক করুন

 

 

সহায়ক গ্রন্থপঞ্জি
  1. Managal, S.K. Advanced Educational Psychology (2nd ed.). PHI Learning Private Limited, New Delhi.
  2. Aggarwal, J.C. Essential of Educational Psychology (2nd ed.). Vikas Publishing House PVT. LTD., New Delhi.
  3. পাল, গোবিন্দ পদ., মিত্র, গঙ্গারাম। শিখনের মনোবিজ্ঞান। নব প্রকাশনী, কলকাতা।
  4. গুপ্ত, অশোক। শিক্ষা মনোবিজ্ঞান। সেন্ট্রাল লাইব্রেরী, কলকাতা।
  5. ঘোষ, সনৎ কুমার। শিখনে মনস্তাত্ত্বিক ভিত্তি। ক্লাসিক বুকস্, কলকাতা।
  6. ইসলাম, নূরুল। শিক্ষামনোবিদ্যার রূপরেখা। শ্রীধর প্রকাশনী, কলকাতা।
  7. চক্রবর্তী, প্রণব কুমার এবং ব্যানার্জী, দেবশ্রী। শিক্ষার মনস্তাত্ত্বিক ভিত্তি। রীতা পাবলিকেশন, কলকাতা।

 

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *