অভীক্ষার যথার্থতা | Validity of the Test

যথার্থতা (Validity of the Test) হল যেকোনো আদর্শায়িত অভীক্ষার একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য। সহজ ভাষায়, যে অভীক্ষাটি ঠিক যে উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছে, সেটি তা পরিমাপ করতে পারছে কি না তা যাচাই করাই হল যথার্থতা। শিক্ষাক্ষেত্রে কিংবা মনস্তাত্ত্বিক গবেষণায় সঠিক ফলাফলের জন্য এই যথার্থতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।
যথার্থতার অর্থ
যে উদ্দেশ্যে অভীক্ষাটি তৈরি করা হয়েছে অভীক্ষার মাধ্যমে সে উদ্দেশ্য অর্জিত হলে বুঝতে হবে অভীক্ষাটি যথার্থ বা সঠিক হয়েছে। আরও পরিষ্কার করে বলতে গেলে, ব্যক্তির যে জ্ঞান, দক্ষতা বা বৈশিষ্ট্য পরিমাপ করার জন্য অভীক্ষাটি তৈরি করা হয়েছে সেটি সঠিকভাবে পরিমাপ করতে সক্ষম হলে অভীক্ষাটিকে যথার্থ বলা হবে। উদাহরণস্বরূপ বুদ্ধি পরিমাপের জন্য অভীক্ষা দ্বারা যদি বুদ্ধিই মাপা হয় তবে তা যথার্থ হবে। কিন্তু বুদ্ধি পরিমাপক অভীক্ষায় জ্ঞান, প্রবণতা, ব্যক্তিত্ব, ইত্যাদি পরিমাপক প্রশ্ন থাকে তাহলে তা যথার্থ হবে না। আবার ধরা যাক, কোনো অভীক্ষার উদ্দেশ্য যদি হয় শিক্ষার্থীদের ইতিহাসের জ্ঞান পরিমাপ করা। কিন্তু অভীক্ষাটিতে যদি শিক্ষার্থীদের ইতিহাসের জ্ঞানের সাথে তার ভাষা, প্রকাশ ভঙ্গী ইত্যাদিও পরিমাপ করার অবকাশ থাকে তাহলে অভীক্ষাটি যথার্থ বা সঠিক হবে না। এক কথায় যথার্থ অর্থ সত্যতা, সঠিক অভীক্ষার প্রশ্ন বা প্রশ্নগুলো এমন সুনির্দিষ্ট ও দ্ব্যর্থহীনভাবে প্রণয়ন করতে হবে যাতে ঠিক ঠিকভাবে উদ্দিষ্ট বিষয়গুলো পরিমাপ করা সম্ভব হয়। যথার্থতা কি তা একটি উদাহরণের সাহায্যে বোঝানো যেতে পারে। মনে করা যাক গণিতের জ্ঞান পরীক্ষা করার জন্য একটা অভীক্ষা তৈরি করা হল, কিন্তু তা কঠিন ইংরেজি ভাষায় লেখা। ইংরেজি ভাষার জ্ঞানের অভাবে অধিকাংশ ছাত্রছাত্রী ঐ গণিত অভীক্ষার প্রশ্নই বুঝতে পারলো না। এক্ষেত্রে বলা হবে ঐ অভীক্ষার যথার্থতা নেই। কেননা অভীক্ষাটিতে গণিতের জ্ঞান পরিমাপ করার চেয়ে ভাষার জ্ঞান বেশি পরিমাপ করা হয়েছে।
যথার্থতার সংজ্ঞা
যথার্থতা সম্পর্কিত কয়েকটি উল্লেখযোগ্য সংজ্ঞাগুলি নিম্নে তুলে ধরা হল-
American Education and Psychological Association and National Council on Measurement and Evaluation যৌথভাবে যে সংজ্ঞা দিয়েছেন তা হল, “কোনো অভীক্ষা-লব্ধ স্কোর থেকে সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত গ্রহণের যথােপযুক্ততা, অর্থপূর্ণতা ও কার্যোপযোগিতা হল যথার্থতা।” অন্য কথায়, কোনো অভীক্ষা যে উদ্দেশ্যে বা যে কাজের জন্য তৈরি তার কতটুকু এটি অর্জন করেছে তাই হল ঐ অভীক্ষার যথার্থতার পরিমাপ।
ক্রনব্যক (Cronbach)-এর মতে, “যথার্থতা বলতে উদ্দেশ্য পরিমাপের সেই সীমাকে বোঝায় যে সীমা পর্যন্ত অভীক্ষা বা পরিমাপকটি উদ্দেশ্য পরিমাপে সক্ষম।”
গ্যারেট (Garrett)-এর মতে, “The validity of a test is the degree to which it measures what it intends to measure.” অর্থাৎ, কোনো অভীক্ষার যথার্থতা হল সেই মাত্রা, যে মাত্রায় অভীক্ষাটি ঠিক সেটাই পরিমাপ করে যা পরিমাপ করার উদ্দেশ্যে এটি প্রণীত হয়েছে।
অভীক্ষার যথার্থতা হ্রাসের কারণ
অভীক্ষার যথার্থতা হ্রাসের কারণগুলোকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- ক) অভীক্ষা গঠনের ত্রুটির কারণ, খ) অভীক্ষা পদের বা প্রশ্নের প্রকৃতিগত ত্রুটির কারণ, গ) পরীক্ষার্থীর মানসিক অবস্থা জনিত কারণ, ঘ) অভীক্ষা গ্রহণের প্রতিকূল পরিবেশ জনিত কারণ।
অভীক্ষা গঠনের ত্রুটির কারণে যথার্থতা হ্রাস
ত্রুটিপূর্ণ নির্দেশ
কোনো অভীক্ষার নির্দেশপত্র বা কীভাবে প্রশ্নগুলাের উত্তর দিতে হবে তা যদি ত্রুটিপূর্ণ হয় সেক্ষেত্রে যথার্থতা হ্রাস পায়।
ত্রুটিপূর্ণ ভাষা
অভীক্ষার ভাষা যদি পরীক্ষার্থীদের জন্য কঠিন হয় তাহলে উত্তর জানা থাকা সত্ত্বেও প্রশ্ন বুঝতে না পারার কারণে উত্তর দিতে পারবে না, সেক্ষেত্রে যথার্থতা হ্রাস পায়।
প্রশ্নের কাঠিন্যের তারতম্য
অভীক্ষায় ব্যবহৃত সমস্যাগুলো যদি খুব কঠিন বা খুব সহজ হয়, তাহলে যথার্থতা হ্রাস পায়।
সাংগঠনিক ত্রুটি
অভীক্ষায় অন্তর্ভুক্ত প্রশ্নগুলোতে উত্তরের সংকেত দেয়া থাকলে সেক্ষেত্রে যথার্থতা হ্রাস পায়।
নির্ধারিত সময়
অভীক্ষার জন্য নির্ধারিত সময় যদি প্রয়োজনের তুলনায় কম/বেশি হয় সেক্ষেত্রে যথার্থতা হ্রাস পায়।
নম্বর বণ্টন
উদ্দেশ্যের গুরুত্ব অনুযায়ী যদি বিভিন্ন প্রশ্নের মধ্যে নম্বর বণ্টন সঠিক না হয় তাহলে যথার্থতা হ্রাস পায়।
অভীক্ষা পদের বা প্রশ্নের প্রকৃতিগত ত্রুটির কারণে যথার্থতা হ্রাস
সমগ্র বিষয়বস্তু এবং শিখনের সব উদ্দেশ্যের প্রতি লক্ষ্য রেখে যদি প্রশ্ন তৈরি করা না হয় তা হলে অভীক্ষার যথার্থতা হ্রাস পায়।
পরীক্ষার্থীর মানসিক অবস্থা জনিত কারণে যথার্থতা হ্রাস
পরীক্ষার্থী মানসিকভাবে পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত না থাকলে, তার যােগ্যতা অনুযায়ী প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিতে পারে না। আবার অনেক সময় পরীক্ষা ভীতির কারণে অনেক পরীক্ষার্থী স্বাভাবিকভাবে প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে না। এসব কারণে যথার্থতা হ্রাস পায়।
অভীক্ষা গ্রহণের প্রতিকূল পরিবেশ জনিত কারণে যথার্থতা হ্রাস
উপযুক্ত আসন ব্যবস্থার অভাব এবং অবাঞ্ছিত শব্দের বা পরিবেশের কারণে অথবা অত্যন্ত গরম বা ঠান্ডার কারণে পরীক্ষার্থীর পক্ষে অনেক সময় যথাযথভাবে উত্তর লেখা সম্ভব হয় না, এতেও অভীক্ষার যথার্থতা হ্রাস পায়।
অভীক্ষার যথার্থতা বৃদ্ধির উপায়
অভীক্ষার যথার্থতা বৃদ্ধির উপায়গুলি হল-
সুস্পষ্ট নির্দেশনা
অভীক্ষার নির্দেশনা সুস্পষ্ট হতে হবে, যেন পরীক্ষার্থী তা পড়েই বুঝতে পারে এবং সঠিকভাবে উত্তর দিতে পারে।
সহজবোধ্য ভাষা
প্রশ্নের ভাষা পরীক্ষার্থীর ভাষার দক্ষতা অনুযায়ী হবে। বাক্যের গঠন সরল হবে এবং অজানা শব্দের ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে হবে।
খুব সহজ/খুব কঠিন প্রশ্ন বাতিল
অভীক্ষা থেকে খুব সহজ/খুব কঠিন প্রশ্ন বাতিল করতে হবে।
সমগ্র পাঠ্যসূচি ও শিখনের উদ্দেশ্য অনুযায়ী প্রশ্ন
সমগ্র সিলেবাসের বিষয়বস্তু এবং শিক্ষণের বিভিন্ন উদ্দেশ্যের প্রতি লক্ষ্য রেখে নানা ধরনের প্রশ্ন করতে হবে।
পরীক্ষাভীতি দূরীকরণ ও মানসিকভাবে প্রস্তুতকরণ
পরীক্ষার্থীদের মন থেকে পরীক্ষাভীতি দূর করতে হবে এবং অভীক্ষা গ্রহণের আগে মানসিকভাবে তাদের প্রস্তুত করতে হবে। এ কারণে মাঝে মাঝে আনুষ্ঠানিকভাবে পরীক্ষা গ্রহণের ব্যবস্থা নিতে হবে।
সন্তোষজনক আসন ব্যবস্থা
অভীক্ষা গ্রহণের পূর্বে পরীক্ষার্থীদের আসন ব্যবস্থা সন্তোষজনক কি না তা দেখে নিতে হবে।
দূষণমুক্ত পরিবেশ
পরিবেশ শব্দ এবং বায়ু দূষণ থেকে মুক্ত কি না তা লক্ষ্য করতে হবে। অতিরিক্ত গরম/ঠান্ডা পরীক্ষার্থীদের যেন অসুবিধা না করে সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে।
যথার্থতার শ্রেণিবিভাগ
যথার্থতাকে সাধারণভাবে নিম্নলিখিত চারটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। যথা-
বিষয়বস্তু নির্ভর যথার্থতা
শিক্ষামূলক পরিমাপ ও মূল্যায়ন সব সময় উদ্দেশ্যমুখী। তাই উদ্দেশ্যকে বাদ দিয়ে পারদর্শিতার অভীক্ষার যথার্থতা নির্ণয় করা সম্ভব নয়। যে পারদর্শিতার অভীক্ষা সম্পূর্ণ পাঠ্যাংশের জ্ঞান এবং একই সঙ্গে পাঠদানের উদ্দেশ্যসমূহ অর্জিত হয়েছে কি না তা পরিমাপ করতে পারে, সেই অভীক্ষার বিষয়বস্তু নির্ভর যথার্থতা আছে বলে বিবেচিত হয়। যে অভীক্ষা শিক্ষাক্রমের সমগ্র অংশকে পরিমাপ করতে পারে না এবং শিখনের উদ্দেশ্যমুখী অগ্রগতি পরিমাপ করতে পারে না, সে অভীক্ষার যথার্থতার অভাব রয়েছে। কোনো অভীক্ষার বিষয়বস্তু নির্ভর যথার্থতা বলতে বোঝায় অভীক্ষাটি কতটা বিষয়বস্তুর বিভিন্ন ক্ষেত্রের জ্ঞান এবং ঐ বিষয়বস্তু পাঠের উদ্দেশ্যগুলো পরিমাপের জন্য অন্তর্ভুক্ত করেছে।
সংগঠনমূলক যথার্থতা
সংগঠন বলতে এমন একটি মানসিক বৈশিষ্ট্যকে বোঝায় যার সম্পর্কে পরিপূর্ণ ধারণার অভাব আছে, অথচ আমরা তার অস্তিত্বে বিশ্বাস করি। কারণ এরকম অস্তিত্বের অনুমান ছাড়া মানুষের বিশেষ কতগুলো আচরণ বিশ্লেষণ করা যায় না। যেমন- বুদ্ধি সম্পর্কিত ধারণা, যুক্তিশক্তি সংক্রান্ত ধারণা, গাণিতিক সম্ভাবনা ইত্যাদি এক একটি সংগঠন বা মানসিক বৈশিষ্ট্য যার মাধ্যমে আমরা মানুষের বিশেষ কতগুলো আচরণ ব্যাখ্যা করতে পারি। কোনো একটি অভীক্ষার প্রাপ্ত ফলাফলকে যে হারে কোনো একটি মনোবৈজ্ঞানিক সংগঠনের তাৎপর্য নির্ণয়ের ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা হয়, তাকে বলা হবে তার সংগঠনমূলক যথার্থতা। কোনো অভীক্ষার সংগঠনমূলক যথার্থতা যুক্তিমূলক পদ্ধতিতে নির্ণয় করা হয়ে থাকে।
ভবিষ্যৎ সম্ভাবনামূলক যথার্থতা
অভীক্ষাটি যদি ভবিষ্যৎ পারদর্শিতা সম্পর্কে সঠিক ধারণা দিতে পারে তাহলে অভীক্ষাটির ভবিষ্যৎ সম্ভাবনামূলক যথার্থতা আছে বলে বিবেচনা করা হয়। বিদ্যালয়ে ভর্তি, নির্বাচনী পরীক্ষার প্রশ্ন এ ধরনের একটি অভীক্ষা হিসেবে ব্যবহার করা হয়। মনে করা হয় ভর্তির নির্বাচনী পরীক্ষায় ভাল ফলাফল করে ভর্তি হতে পারলে ভবিষ্যতে শিক্ষার্থী শ্রেণির পঠন-পাঠনে কৃতিত্ব প্রদর্শন করবে। ভর্তির নির্বাচনের জন্য ব্যবহৃত অভীক্ষার ভবিষ্যৎ সম্ভাবনামূলক যথার্থতা নির্ণয় করতে হলে, পরবর্তীতে ঐ নির্দিষ্ট শ্রেণিতে পারদর্শিতার অভীক্ষার ফলাফলের সঙ্গে ভর্তি পরীক্ষার ফলাফলে সামঞ্জস্য আছে কি না তা গাণিতিক পদ্ধতিতে নির্ণয় করতে হবে। এর জন্য যে গাণিতিক পরিসংখ্যানটি ব্যবহার করতে হবে তা হচ্ছে সহগতির সহগাঙ্ক।
সহ-অবস্থানমূলক যথার্থতা
সহ-অবস্থানমূলক যথার্থতা নির্ণয়ের জন্য অভীক্ষাটি প্রয়োগ করে প্রাপ্ত ফলাফলের সঙ্গে একই বৈশিষ্ট্য পরিমাপক অপর একটি যথার্থতা সম্পন্ন অভীক্ষার ফলাফলের তুলনা করা হয়। অল্প সময়ের ব্যবধানে দু’টি অভীক্ষা একই দলের উপর প্রয়োগ করা হয়, যে দুই গুচ্ছ নম্বর পাওয়া যায় তাদের মধ্যে সামঞ্জস্য আছে কি না তা নির্ণয়ের জন্য গাণিতিক পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। যেমন- একজন শিক্ষক তার পরিমাপ ব্যবস্থার পরিবর্তন ঘটাতে চান, তিনি এতদিন তার ছাত্রদের পারদর্শিতা পরিমাপের জন্য রচনাধর্মী পরীক্ষা গ্রহণ করতেন। এখন তিনি ঐ একই উদ্দেশ্যে একটি নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্নপত্র রচনা করেছেন। এই পরিস্থিতিতে নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্নপত্রটির যথার্থতা নির্ণয় করতে হলে, তাকে দু’ধরনের প্রশ্নপত্রের সাহায্যে ছাত্রদের পরীক্ষা নিতে হবে। যদি দেখা যায় ছাত্ররা রচনাধর্মী পরীক্ষায় যেরকম নম্বর পেয়েছে নৈর্ব্যক্তিক অভীক্ষায়ও সেরকম নম্বর পেয়েছে, তাহলে বলা যাবে, রচনাধর্মী অভীক্ষার মত নৈর্ব্যক্তিক অভীক্ষার যথার্থতা আছে। এই ধরনের যথার্থতাকে বলা হয় সহ-অবস্থানমূলক যথার্থতা।
“অভীক্ষার যথার্থতা” (Validity of the Test) কেবল কোনো পরীক্ষার একটি মানদণ্ডই নয়; বরং এটি নির্ভুল ও ন্যায়সঙ্গত মূল্যায়নের মূল চাবিকাঠি হিসেবে কাজ করে। কোনো পরীক্ষা যতই আকর্ষণীয় বা নির্ভরযোগ্য হোক না কেন, যদি তা তার সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যগুলো পূরণে ব্যর্থ হয়, তবে তার কোনো ব্যবহারিক উপযোগিতা থাকে না। তাই, শিক্ষাব্যবস্থা, মনস্তাত্ত্বিক গবেষণা কিংবা যেকোনো প্রাতিষ্ঠানিক মূল্যায়নের প্রেক্ষাপটে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য পরীক্ষার বৈধতা নিশ্চিত করা অপরিহার্য। ঠিক যেভাবে একটি অবৈধ মূল্যায়ন শিক্ষার্থীর প্রকৃত সম্ভাবনাকে অবমূল্যায়িত করে, ঠিক একইভাবে তা সমগ্র নির্বাচন প্রক্রিয়ার ওপরও সন্দেহের ছায়া ফেলে; আর তাই, যেকোনো আদর্শায়িত অভীক্ষার নকশা প্রণয়নের ক্ষেত্রে যথার্থতার মানদণ্ডগুলো কঠোরভাবে মেনে চলা অত্যন্ত বাঞ্ছনীয়।
আরও পোস্ট পড়তে - এখানে ক্লিক করুন
সহায়ক গ্রন্থপঞ্জি- Singh, A.K. Tests, Measurement and Research Methods in Behavioural Science. Bharati Bhawan, New Delhi.
- Robert J. Gregory. Psychological Testing. Pearson Education.
- ইসলাম, ড. নূরুল। শিক্ষায় মূল্যায়ন ও নির্দেশনা। শ্রীধর প্রকাশনী, কলকাতা।
- আচার্য, অধ্যাপক পূর্ণেন্দু। শিক্ষাক্ষেত্রে মূল্যায়ন ও নির্দেশনা। শ্রীতারা প্রকাশনী।
- পাল, গোবিন্দ পদ., মিত্র, গঙ্গারাম। শিক্ষায় মূল্যায়ন। নব প্রকাশনী, কলকাতা।






