তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ধারণা | Concept of Information and Communication Technology ICT

বর্তমান পৃথিবী এখন হাতের মুঠোয়, আর এর নেপথ্যে কাজ করছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (Concept of Information and Communication Technology ICT)। তথ্য আদান-প্রদান থেকে শুরু করে দৈনন্দিন যোগাযোগ কিংবা আমাদের জীবনের প্রতিটি স্তরে এখন অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (ICT)। বর্তমান সভ্যতার ভিত্তি হল এই ICT। তথ্য প্রযুক্তি এবং যোগাযোগের সমন্বিত রূপই হল ICT। আজকের আর্টিকেলে আমরা এর ধারণা এবং সুবিধা ও অসুবিধা নিয়ে আলোচনা করবো।
Meaning of Information and Communication Technology
বর্তমানে আমরা জ্ঞানভিত্তিক সমাজে বসবাস করি। যেখানে জ্ঞান হল এমন এক শক্তি যার দ্বারা সমস্ত বিশ্ব-ব্রহ্মাণ্ড, শিল্প, অর্থনীতি এবং শিক্ষা উভয়ই নির্ধারিত হয়ে থাকে। এই প্রকার জ্ঞানের বিকাশ কখনই থেমে থাকে না, তা সব সময় কোনো না কোনো ভাবে বিকশিত হচ্ছে। তাই শুধুমাত্র জ্ঞান আয়ত্ত করা সম্পূর্ণ নয়, তাই এর সহযোগী হিসেবে Information and Communication Technology (ICT) ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে পরে।
শিক্ষাক্ষেত্রে Information and Communication Technology-র প্রভাব বিশ্বব্যাপী ও বিতর্কিত। ICT হল একপ্রকার শক্তিশালী হাতিয়ার (Tool) যা প্রথাগত ও অ-প্রথাগত শিক্ষাক্ষেত্রে বিভিন্ন সুযোগের সৃষ্টি করে। ICT বিভিন্ন দেশের শিক্ষা কাঠামোকে আরও দৃঢ় করেছে। শিক্ষক-কেন্দ্রিক শিক্ষা এবং শিক্ষার্থী-কেন্দ্রিক শিক্ষা উভয় প্রকার শিক্ষার গুণমান উন্নয়নে ICT একপ্রকার প্রধান ভূমিকা গ্রহণ করে থাকে। একজন শিক্ষক শ্রেণীকক্ষে সর্বদা ICT-র প্রয়োগের মাধ্যমে তার শ্রেণীকক্ষকে উন্নত যোগাযোগ এবং উন্নত ধরনের জ্ঞান বা তথ্য শিক্ষার্থীকে দিতে সর্বদা সচেষ্ট হন। ICT দ্বারা যেকোনো দেশে শিক্ষা সংক্রান্ত তথ্য আদান-প্রদান সম্ভব। তাই আদান-প্রদানই যেকোনো দেশের শিক্ষার ভিত্তিকে দৃঢ় করে। সহজ ভাষায়, ICT হল শ্রেণীকক্ষে শিক্ষণ-শিখন কার্যকে সহজতর, আকর্ষণীয়, উন্নত এবং আরও advance level-এ নিয়ে যাওয়ার জন্য সাহায্যকারী উপকরণসমূহ।
Types/Classifications of ICTs
ICT-র ব্যবহারের সাপেক্ষে, একে প্রধানত দু’ভাগে ভাগ করা যেতে পারে। যথা-
Traditional ICTs
গতানুগতিক ICT প্রক্রিয়া যেসকল মাধ্যমে সম্পন্ন হত, সেগুলি হল-
- পাঠ্যপুস্তক, জার্নাল, খবরের কাগজ, পাঠ্যপুস্তক এর উৎস, গ্রন্থাগার এবং বিদ্যালয়।
- ভাষাভিত্তিক তথ্য এবং শিক্ষক, অভিভাবক এবং অন্যান্য বন্ধুবান্ধবের থেকে গৃহীত তথ্য।
- বিভিন্ন ধরনের গ্রাফিক্যাল বিষয়, যেমন- চাট, ছবি, পোস্টার, ডায়াগ্রাম এবং কাটুন।
- দৃশ্য-শ্রাব্য বিষয় সমূহ, যেমন- দূরদর্শন, রেডিও, প্রোজেক্টর, চলচ্চিত্র, টেপ-রেকর্ডার ইত্যাদি।
Modern ICTs
আধুনিক যুগে ICT-র ব্যবহারের ক্ষেত্রে বিরাট পরিবর্তন এসেছে। আধুনিক যুগে ICT-র মাধ্যম হিসেবে যে যে ইলেকট্রনিক গ্যাজেট ব্যবহৃত হয় সেগুলি হল-
- ডিজিটাল ভিডিও ক্যামেরা;
- কম্পিউটার, ল্যাপটপ এবং নোটবুক;
- Multimedia projector (LCD or DLP) to communicate with large groups;
- Local area network (LAN), metropolitan area network (MAN), and wide area network (WAN);
- Digital libraries;
- E-mail, Internet and World Wide Web (WWW);
- Idea of virtual classroom and virtual reality;
- Computer database and data processing mechanism, CD ROM and DVD.
Advantages/Uses of ICTs
তথ্য ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে এবং আমাদের জীবনকে উদ্দেশ্যমুখী এবং আরামদায়ক করার জন্য ICT বহুভাবে কার্যকরী ভূমিকা গ্রহণ করে থাকে। ICT আমাদের বর্তমান জীবনে একপ্রকার জনপ্রিয় যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে পরিচিত। বর্তমান তথ্য ও প্রযুক্তির বিশ্বায়নের যুগে শিল্পে, বাণিজ্যে, বিমা, বাঙ্কিং, উদ্ভিদবিদ্যা, কৃষিবিদ্যা, যোগাযোগ, চিকিৎসা শাস্ত্র, এবং শিক্ষাক্ষেত্রে এক বিপ্লব এনে দিয়েছে। ICT দিন-প্রতিদিন সর্বক্ষেত্রে এবং সর্বস্তরে এর চাহিদা নিরন্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। ICT-এর ব্যবহার শিক্ষাক্ষেত্রে দু’ভাবে হয়ে থাকে।
- যে সমস্ত কর্মীবর্গ শিক্ষাক্ষেত্রের সাথে যুক্ত;
- শিক্ষাক্ষেত্রে বিপ্লব আনয়নের ক্ষেত্রে।
যে সমস্ত কর্মীবর্গ শিক্ষাক্ষেত্রের সাথে যুক্ত-
শিক্ষার্থী (Students)
ICT-র মাধ্যমে একজন শিক্ষার্থী তার প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ এবং শিক্ষাক্ষেত্রে নানান সুযোগ সুবিধা গ্রহণে সচেষ্ট হয়। ICT একজন শিক্ষার্থীর উদ্ভাবনী ক্ষমতা, সাংগঠনিক ধারণা এবং কৌতূহল নিবারণের সাহায্য করে। ICT-র মাধ্যমে একজন শিক্ষার্থী পর্যাপ্ত এবং প্রাসঙ্গিক তথ্য পেয়ে থাকে। কী উপায় এবং কীভাবে সেই তথ্য সংগৃহীত করা যায় তা কেবলমাত্র ICT-র দ্বারা সম্ভব। বিদ্যালয়ের পাঠক্রম এবং সহপাঠ্যক্রম আয়ত্তকরণে ICT একপ্রকার প্রত্যক্ষ ভূমিকা অবলম্বন করে। ICT-র ব্যবহারে শিক্ষার্থীর যোগাযোগের দক্ষতায় দ্রুততা, স্পষ্টতা এবং স্বচ্ছতা আসে।
শিক্ষক (Teachers)
শিক্ষার্থীর মত শিক্ষকও ICT থেকে নানান সুযোগ সুবিধা পেয়ে থাকে। শ্রেণীকক্ষে পাঠদানের পূর্বে সম্পূর্ণ পাঠ প্রস্তুতি গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পুস্তক, জার্নাল, খবরের কাগজ, এবং অন্যান্য পঠন সামগ্রী দৃশ্য-শ্রাব্য সামগ্রী প্রভৃতি তথ্যের উৎস সংগ্রহকরণে ICT একজন শিক্ষককে সাহায্য করে থাকে। এছাড়াও, একজন শিক্ষক তাঁর আগ্রহের বিষয়ের ব্যক্তিগত গবেষণার জন্য প্রয়োজনীয় তথ্যের সন্ধান ICT-র মাধ্যমে পেয়ে থাকে।
পরামর্শদাতা (Counsellors)
একজন পরামর্শদানকারী বা counsellor বিদ্যালয়ের শ্রেণীকক্ষে কিংবা সমাজের মধ্যে কর্ম-সম্পাদনকালে প্রয়োজনীয় তথ্য ICT-র মাধ্যমে পেয়ে থাকে। একজন counsellor-এর প্রধান কাজ হল পরামর্শ নিতে আসা ব্যক্তির সমস্যা-সমাধানের জন্য কিছু প্রয়োজনীয় নির্দেশাবলী প্রদান। শিক্ষাক্ষেত্রে, বৃত্তিগতক্ষেত্রে, এবং ব্যক্তিগতক্ষেত্রে বিভিন্ন ব্যক্তিকে পরামর্শদানের পূর্বে সেই ব্যক্তি কিংবা সেই প্রতিষ্ঠানের সম্বন্ধে প্রয়োজন তথ্যাবলী সংগ্রহ ICT-র মাধ্যমে সহজতর হয়। এছাড়াও শ্রেণীকক্ষে শিক্ষার্থীর আগ্রহের জায়গা, ব্যক্তিগত চাহিদা, কৌতূহল নিবারণ, ও তার প্রবণতার যে সমস্ত দিকগুলি শিক্ষার্থী সর্বক্ষেত্রে সমানভাবে কার্যকর করতে পারে না, সেই ক্ষেত্রে একজন counsellor ICT-র প্রয়োগে শিক্ষার্থীর সেই অপ্রকাশ্য তথ্যগুলিকে এমন এক প্রক্রিয়া বা উপায় সহজতর এবং আকর্ষণীয় করে তোলে যা অন্যদের ক্ষেত্রে কঠিন এবং শ্রমসাধ্য।
শিক্ষাগবেষকগণ (Educational researchers)
একজন গবেষক তার গবেষণার ক্ষেত্র সম্বন্ধে প্রয়োজনীয় তথ্যাবলী ICT-র প্রয়োগের মাধ্যমে খুব সহজে পেয়ে থাকে এছাড়াও নিজের গবেষণাটিকে আকর্ষণীয় ও সহজতরভাবে প্রকাশের জন্য ICT-র উপর নির্ভরশীল। ICT প্রথাগত ও অ-প্রথাগত শিক্ষাক্ষেত্রে সমানভাবে ব্যবহৃত হয়।
বর্তমানে আমরা জ্ঞানভিত্তিক সমাজে বসবাস করি। ICT সমস্ত শিক্ষামূলক প্রতিষ্ঠানে ব্যবহারের মাধ্যমে শিক্ষার্থী এবং শিক্ষক কর্মীদের জ্ঞানের বৃদ্ধি ঘটায়। উপরোক্ত চারটি ক্ষেত্র ছাড়াও, বিভিন্ন আধুনিক শিক্ষাক্ষেত্রে ICT ব্যবহৃত হচ্ছে। যথা-
- ICT-র সাহায্যে যেকোনো দেশের শিক্ষাব্যবস্থার উন্নতি সম্ভবপর হয়ে থাকে।
- যে সমস্ত শিক্ষার্থী গতানুগতিক পদ্ধতিতে শিক্ষা গ্রহণ করা ছাড়া আধুনিক পাঠ গ্রহণ করতে ইচ্ছুক তাদের ক্ষেত্রে ICT বড় ভূমিকা গ্রহণ করে থাকে।
- শিক্ষার্থীর কৌতূহল, উদ্ভাবনী ক্ষমতা এবং নির্মাণ মূলক ক্ষমতার আত্মসন্তুষ্টিতে ICT প্রধান ভূমিকা গ্রহণ করে থাকে।
- শিক্ষণ-শিখন কার্যে উন্নতি আনার জন্য একপ্রকার অন্যতম সাধনী হিসেবে কাজ করে ICT।
- শিক্ষামূলক কর্মকাণ্ড ও যোগাযোগ মাধ্যমে বৈচিত্র্য আনার ক্ষেত্রে ICT খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- দেশে যেকোনো প্রান্তে কিংবা বিদ্যালয়ে বা বিদ্যালয়ের বাইরে যেকোনো স্থানে যখন তখন ICT দ্বারা একজন শিক্ষার্থী তার প্রয়োজনীয় জ্ঞান আহরণ করতে পারে।
- বিভিন্ন আঞ্চলিক প্রদেশ যেখানে শিক্ষাব্যবস্থা স্বাভাবিকভাবে অগ্রগতি সম্ভব নয়। সেইসব অঞ্চলে ICT সমানভাবে প্রযোজ্য।
- শুধুমাত্র শিক্ষার্থী নয় শিক্ষক ও তার প্রয়োজনীয় জ্ঞান যা তার পাঠদানকার্যে সাহায্য করে, তা সে সহজেই ICT-র মাধ্যমে গ্রহণ করে থাকে।
Disadvantages/Barriers of ICTs
ICT-র উপরিউক্ত নানান সুবিধা থাকা সত্ত্বেও, বর্তমানে শিক্ষার সর্বক্ষেত্রে সমানভাবে ICT-র ব্যবহার করা সহজ নয়। বর্তমান আধুনিক শিক্ষাক্ষেত্রে ICT-র ব্যবহারে যে সমস্ত সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে সেগুলি হল-
লভ্যতা/প্রাপ্যতা (Availability)
ICT-র সুযোগ-সুবিধা ভারতবর্ষের সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উপলব্ধ নয়। কারণ এই সুযোগ-সুবিধা আনার জন্য যে প্রকার প্রশাসনিক কাঠামো এবং ব্যয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিকে বহন করতে হয় তা সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে বহন করা সম্ভবপর নয়।
জ্ঞানের অভাব (Lack of knowledge)
একবিংশ শতাব্দীর আধুনিক শিক্ষাক্ষেত্রে ICT-র ব্যবহারে একটি বড় সমস্যা হল অজ্ঞতা। যেকোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ICT কী উদ্দেশ্যে এবং কীভাবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে তার পর্যাপ্ত জ্ঞান না থাকায় ICT-কে কার্যকরী করা সম্ভব হয়ে ওঠে না।
সাংস্কৃতিক সমস্যা (Cultural challenge)
ICT-র ব্যবহারে অন্যতম সমস্যা হল ভাষা। ICT-র ব্যবহারে সমস্ত প্রকার সুযোগ সুবিধা এবং সফটওয়্যারগুলির ক্ষেত্রে ইংরেজি ভাষা ব্যবহার করা হয়ে থাকে। কিন্তু ভারতবর্ষের মতো উন্নয়নশীল দেশে ইংরেজি সর্বক্ষেত্রের প্রধান ভাষা হিসেবে গৃহীত নয়, সেই সব ক্ষেত্রে ICT-র ব্যবহার সর্বক্ষেত্রে এবং সর্বস্তরে প্রয়োগ করা সম্ভব হয় না।
সরঞ্জামের অভাব (Lack of equipment)
ICT-র সফল ও সার্থক প্রয়োগে যে সকল সাজ-সরঞ্জামের প্রয়োজন, তা বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলের বিদ্যালয়গুলিতে অভাব রয়েছে।
প্রশিক্ষিত শিক্ষকের অভাব (Lack of trained teacher)
যেকোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ICT-র সফল প্রয়োগ কিংবা বলা যেতে পারে সকল ধরনের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ICT-র প্রয়োগ একজন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষকের দ্বারাই সম্ভব। কিন্তু, বাস্তবে এরূপ শিক্ষকের প্রকৃত অভাব রয়েছে।
সময়ের অভাব (Lack of time)
যেকোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একদিনে একজন শিক্ষককে অনেকগুলি বিষয়ে তার পাঠদানকার্য সম্পূর্ণ করতে হয়। তাই একজন শিক্ষক পাঠকৃত সমস্ত বিষয়গুলি বাদ দিয়ে শুধুমাত্র ICT-র দ্বারা সমস্ত শিক্ষণকার্য পরিচালনা করতে পারে না। অথবা, ভারতবর্ষের মতো উন্নয়নশীল দেশে যেখানে একটি শ্রেণীকক্ষে একত্রে বহু ছাত্র একসাথে শিক্ষা গ্রহণ করে এবং পাঠদান একাধিক বিষয় হয়ে থাকে তাই সমস্ত পাঠদানকার্য ICT-র মাধ্যমে দেওয়া সম্ভব হয় না।
তহবিল-জনীত সমস্যা (Funding-related issues)
ভারতবর্ষের মতো উন্নয়নশীল দেশে যেখানে অর্থনৈতিক কাঠামো খুবই দুর্বল। সেইসব ক্ষেত্রে সমস্ত বিদ্যালয়গুলিকে তাদের শ্রেণীকক্ষে ICT প্রতিস্থাপন করার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ সরকারের দ্বারা ব্যয় করা সম্ভব হয় না।
আরও পোস্ট পড়তে - এখানে ক্লিক করুন
সহায়ক গ্রন্থপঞ্জি- Mangal, S.K., Mangal, Uma. Essentials of Educational Technology. PHI Learning Private Limited, Delhi.
- সেন, মলয় কুমার। শিক্ষা প্রযুক্তিবিজ্ঞান। সোমা বুক এজেন্সি, কলকাতা।
- পাল, দেবাশিস., বেহেরা, সন্তোষ কুমার এবং পাণ্ডে, প্রণয়। শিক্ষায় প্রযুক্তিবিদ্যা। রীতা পাবলিকেশন, কলকাতা।





