প্রয়োগবাদী দর্শন ও শিক্ষা | Pragmatic Philosophy and Education

প্রয়োগবাদী দর্শন শিক্ষা (Pragmatic Philosophy and Education)-র নানান ক্ষেত্রকে নানাভাবে প্রভাবিত করে চলেছে। প্রয়োগবাদের মূল কথা হল উপযোগিতা। এঁদের মতে, চিরন্তন ও শাশ্বত মূল্যবোধ বলে কিছু নেই, মানুষ প্রত্যক্ষ কর্ম ও অভিজ্ঞতার মধ্যেদিয়ে নিজের মূল্যবোধ ও জীবনদর্শন গড়ে তোলে।
প্রয়োগবাদী দর্শনের স্বরূপ
প্রয়োগবাদকে পাশ্চাত্য বিভিন্ন দার্শনিক মতবাদগুলির মধ্যে নবীনতম বলা যায়। বিংশ শতাব্দীতে এই মতবাদ শিক্ষার জগতে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনে। আমেরিকার মাটিতে এই দার্শনিক ভাবনার জন্ম। এর মধ্যে আমেরিকার জীবনযাত্রা ও চিন্তা ধারার প্রকাশ পায়। ‘Pragmatism’ শব্দটি প্রথম 1878 সালে চার্লস স্যান্ডার্স পিয়ার্স (Charles Sanders Peirce)-এর “How to Make Our Ideas Clear” প্রবন্ধে প্রকাশিত হয়। ‘Pragmatism’ শব্দটি গ্রিক শব্দ ‘Pragma’ থেকে এসেছে যার অর্থ ‘to do’, ‘to make’, and ‘to act’। অতএব, প্রয়োগবাদ শব্দটি বোঝাতে, ‘কর্ম’, ‘ক্রিয়া’ এবং ‘সম্পাদন’ ইত্যাদি শব্দগুলি ব্যবহৃত হয়। কিছু পণ্ডিত মনে করেন যে, ‘Pragmatism’ শব্দটি গ্রিক শব্দ ‘Pragmatikos’ থেকে এসেছে যার অর্থ হল ‘Practicability’ অর্থাৎ কার্যকারিতা এবং ‘Utility’ অর্থাৎ উপযোগিতা। এই চিন্তাধারা অনুযায়ী, অনুশীলন আগে এবং তার পরে আসে তাত্ত্বিক ধারণা। সুতরাং, এই দর্শনে চিন্তার চেয়ে কর্মকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়।
প্রয়োগবাদী শিক্ষা দার্শনিক
প্রয়োগবাদের সমর্থক দার্শনিকগণ হলেন- চার্লস এস. পিয়ার্স, উইলিয়াম জেমস, শিলার, জন ডিউই, ডব্লিউ.এইচ. কিলপ্যাট্রিক প্রমুখ।
প্রয়োগবাদের সংজ্ঞা
প্রয়োগবাদ শব্দটি বিভিন্ন দার্শনিক ও শিক্ষাবিদদের দ্বারা অত্যন্ত সুস্পষ্টভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। যার মধ্যে কয়েকটি নিম্নে তুলে ধরা হল-
জেমস বি. প্রেট (James B. Prett)-বলেছেন, “Pragmatism offers us a theory of meaning, a theory of truth of knowledge and a theory of reality.” অর্থাৎ, প্রয়োগবাদ আমাদের কোনো তত্ত্বের প্রকৃত অর্থ, সত্য, জ্ঞান এবং বাস্তব সম্পর্কিত ধারণা প্রদান করে।
উইলিয়াম জেমস (William James)-এর মতে, “Pragmatism is a temper of mind, an attitude, it is also a theory of the nature of ideals and truth, and finally it is a theory about reality.” অর্থাৎ, প্রয়োগবাদ হল এক ধরনের মানসিক প্রবণতা, একটি দৃষ্টিভঙ্গি; এটি আদর্শ ও সত্যের প্রকৃতি সম্পর্কিত একটি তত্ত্ব এবং পরিশেষে এটি বাস্তবতা সম্পর্কিত একটি তত্ত্ব।
প্রয়োগবাদের ধরন বা রূপ
প্রয়োগবাদী দর্শনকে বিশ্লেষণে এর যে সকল ধরন বা রূপ পরিলক্ষিত হয়, তা সম্বন্ধে নিম্নে আলোচনা করা হল-
মানবতাবাদী প্রয়োগবাদ (Humanistic Pragmatism)
প্রয়োগবাদের এই রূপটি মানব কল্যাণে বিশ্বাসী। মানবতাবাদী দর্শন অনুসারে, যা কিছু আমাদের উদ্দেশ্য পূরণ করে, আমাদের আকাঙ্ক্ষা পূরণ করে, আমাদের জীবনকে উন্নত করে তা সত্য। অর্থাৎ, ব্যক্তির অভিজ্ঞতা, চাহিদা এবং কল্যাণকে জ্ঞানের সত্যতা ও নৈতিক সিদ্ধান্তের মূল মাপকাঠি হিসেবে দেখা হয়।
পরীক্ষামূলক প্রয়োগবাদ (Experimental Pragmatism)
এই ধারা আধুনিক পরীক্ষামূলক পদ্ধতির উপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত। পরীক্ষামূলক প্রয়োগবাদ যেকোনো ধারণা বা তত্ত্ব-কে পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে যাচাই করে থাকে। এই মতাদর্শ বিশ্বাস করে, ‘যা পরীক্ষামূলক পদ্ধতিতে যাচাই করা যায়, তাই সত্য।’
নামমাত্রিক প্রয়োগবাদ (Nominalistic Pragmatism)
মধ্যযুগীয় ইউরোপীয় Nominalistic প্রয়োগবাদীদের মতে, “a universe is only a name”। এই দর্শনের মূল লক্ষ্য হল, বাস্তব ধারণার চেয়ে শব্দের বা ধারণার ব্যবহারিক প্রয়োগ এবং কার্যকারিতার উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া। যখনই আমরা কোনো পরীক্ষা করি, তখনই আমাদের মনে সম্ভাব্য ফলাফল আসতে শুরু করে। নামমাত্রিক প্রয়োগবাদ বিশ্বাস করে যে, আমাদের পরীক্ষার এই ফলাফলগুলি সর্বদা নির্দিষ্ট এবং মূর্ত। একটি জিনিসের অনেক নাম রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, ইংরেজিতে ‘জল’, উর্দুতে ‘পানি’ এবং তামিলে ‘থান্নির’ এবং হিন্দিতে ‘জল’। কিন্তু অর্থ একই। সুতরাং, দর্শনের এই রূপটি ধারণাগুলির বস্তুগত রূপের উপর জোর দেয় এবং তাদের নামকরণ করে।
জৈবিক প্রয়োগবাদ (Biological/Instrumentalism Pragmatism)
প্রয়োগবাদের এই রূপ বাস্তব জীবনের উপযোগিতা এবং কার্যকারিতার উপর জোর দেয়। এটি মানুষের অস্তিত্বের ক্ষমতার মূল্যায়ন করে এবং পরিবেশের সাথে নিজেকে খাপ খাইয়ে নিতে এবং তার চাহিদা এবং প্রয়োজনীয়তা অনুসারে তার পরিবেশ পরিবর্তন করতে সক্ষম করে তোলে। এটি বিশ্বাস করে যে জ্ঞান হল এমন একটি হাতিয়ার যা মানবদেহকে নিজের জন্য আরও ভালো পরিবেশ তৈরি করতে সক্ষম করে। জন ডিউই এই মতাদর্শের প্রধান প্রবক্তা।
প্রয়োগবাদের মূলসূত্র বা নীতি
প্রয়োগবাদী দার্শনিক মতবাদ কতগুলি মৌলিক নীতি বা সূত্রকে অবলম্বন করে গড়ে উঠেছে। যথা-
- প্রয়োগবাদের মতে, যে ধারণা উদ্দেশ্য সাধনে বা জীবন বিকাশে সাহায্য করে তাই সত্য।
- বাস্তব জীবনে যে তত্ত্বগুলি কার্যকরী সেগুলি সত্য।
- এই মতবাদের তত্ত্বগুলি সর্বদা পরীক্ষা সাপেক্ষ।
- প্রয়োগবাদ চিন্তার চেয়ে কর্মের উপর বেশি গুরুত্ব দেয়।
শিক্ষায় প্রয়োগবাদী দর্শনের প্রভাব
প্রয়োগবাদী শিক্ষাদর্শন শিক্ষাক্ষেত্রকে নানাভাবে প্রভাবিত করেছে। শিক্ষার লক্ষ্য, পাঠক্রম, শিক্ষাপদ্ধতি, শৃঙ্খলা, বিদ্যালয় এবং শিক্ষক সম্পর্কে এই দর্শনের বক্তব্যগুলি হল-
প্রয়োগবাদ ও শিক্ষার লক্ষ্য
শিক্ষার লক্ষ্য নির্ণয়ে প্রয়োগবাদের মূল বক্তব্য হল-
- শিক্ষার্থীর সর্বাঙ্গীণ বিকাশ সাধন।
- শিক্ষার লক্ষ্য নতুন কাম্যবস্তু সৃষ্টি করা।
- শিক্ষার লক্ষ্য হল মূল্যবোধের অন্বেষণ।
- শিক্ষার অন্যতম লক্ষ্য হবে শিক্ষার্থীর মধ্যে সামাজিকীকরণের বিকাশ ঘটানো।
প্রয়োগবাদ ও শিক্ষার পাঠক্রম
প্রয়োগবাদী দার্শনিকগণ বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ জীবনের উপযোগী বিষয়-কে পাঠক্রমে অন্তর্ভুক্ত করার উপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন। প্রয়োগবাদী চিন্তায় পাঠক্রম হবে তত্ত্ব ও ব্যবহারিক জ্ঞানের ও নৈপুণ্যের, জীবন অভিজ্ঞতার ও শিখন প্রক্রিয়ার সার্থক সংমিশ্রণ। পাঠক্রম প্রসঙ্গে প্রয়োগবাদীদের মূল বক্তব্য হল-
- পাঠক্রমে এমন বিষয় অন্তর্ভুক্ত হবে তা যেনও শিক্ষার্থীর বর্তমান ও ভবিষ্যৎকে সুষ্ঠুভাবে সংগঠিত করে তাকে সমাজের উপযোগী করে গড়ে তোলে।
- পাঠক্রমে অন্তর্ভুক্ত বিষয়বস্তু শিক্ষার্থীর স্বাভাবিক আগ্রহ, প্রবণতা ও চাহিদা পরিতৃপ্তিতে সহায়ক হবে।
- পাঠক্রম হবে নমনীয় এবং গতিশীল, প্রয়োজন অনুযায়ী তার পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও পরিমার্জনা করতে হবে।
প্রয়োগবাদ ও শিক্ষাপদ্ধতি
প্রয়োগবাদী দার্শনিকগণ গতানুগতিক শিক্ষাপদ্ধতির বিরোধিতা করেছেন। শিক্ষার পদ্ধতি প্রসঙ্গে প্রয়োগবাদীদের মতামত হল-
- বাস্তব জীবনের অভিজ্ঞতার উপর নির্ভর করে শিক্ষার পদ্ধতি স্থির করতে হবে।
- বাস্তব ক্ষেত্রে প্রয়োগধর্মীতার নীতিকে বজায় রেখে শিক্ষার পদ্ধতি নিরূপণ করতে হবে।
- শিক্ষাক্ষেত্রে সমন্বয়তার নীতিকে মাথায় রেখে শিক্ষার পদ্ধতি স্থির করতে হবে।
এককথায় প্রয়োগবাদীদের মতে, শিক্ষাপদ্ধতি হবে সক্রিয়তা, স্বাধীনতা, আত্মবিকাশ, সমস্যা সমাধান উপযোগী, সৃজনশীলতা-ভিত্তিক। তারই ফলশ্রুতি হল সমস্যামূলক পদ্ধতি, যার উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে প্রকল্প পদ্ধতি।
প্রয়োগবাদ ও শৃঙ্খলা
শৃঙ্খলা সম্পর্কে প্রয়োগবাদীদের বক্তব্য হল-
- শৃঙ্খলা আসবে স্বাধীন কাজের মধ্যদিয়ে।
- শিশুরা সামাজিক পরিবেশের উদ্দেশ্যমূলক কাজে ব্যাপৃত থাকবে।
- প্রকল্পমূলক কাজ বা সমস্যা সমাধানের মধ্যদিয়ে শিশুরা বাস্তবজীবনের সম্মুখীন হবে।
- দলগতভাবে কাজের মধ্যদিয়ে শিশুরা আত্মসংযম এবং সহিষ্ণুতা শিখবে।
এক কথায় প্রয়োগবাদীদের মতে, শৃঙ্খলা হবে অন্তর্জাত। তবে মনে রাখতে হবে, শৃঙ্খলা একটি বিশেষ শক্তি এবং এটি সবসময় ইতিবাচক।
প্রয়োগবাদ ও বিদ্যালয়
প্রয়োগবাদীদের মতে, বিদ্যালয় একটি সরলীকৃত, পবিত্রীকৃত, সমন্বয়ী, ক্রমান্বয়িত এবং সজীব একটি সমাজ (A symplified, purified, better-balanced graded and vitalised society)। অর্থাৎ সমাজের যা কিছু অনুকরণীয়, শিক্ষণীয় বিষয়, সেগুলিকে সরল করে আদর্শায়িত করে শিশুর বিকাশের স্তর অনুযায়ী সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিবেশন করা হবে।
প্রয়োগবাদ ও শিক্ষক
প্রয়োগবাদীরা বলেন, শিক্ষা প্রক্রিয়ায় শিক্ষকের স্থান নিতান্তই গৌণ। ডিউই-এর মতে, অবশ্য শিক্ষক বিদ্যালয়ের সমাজে নিষ্ক্রিয় দর্শকমাত্র নন। তিনি সক্রিয় দর্শক। তাই প্রয়োগবাদীরা বলেন-
- শিক্ষক হবেন শিক্ষার্থীর বন্ধু, দার্শনিক এবং পথপ্রদর্শক।
- শিক্ষক হবেন আদর্শবান।
- শিক্ষার্থীর অভিজ্ঞতাকে সমৃদ্ধতর করে তুলতে শিক্ষক সদাজাগ্রত দৃষ্টি দেবেন।
- শিক্ষকের কর্তব্য হবে শিশুর জন্য আদর্শ শিক্ষার পরিবেশ রচনা করা।
প্রয়োগবাদী দর্শনের অবদান
শিক্ষায় প্রয়োগবাদের অবদান সম্বন্ধে নিম্নে আলোচনা করা হল-
- প্রয়োগবাদ হল একটি প্রগতিশীল দর্শন। এটি শিক্ষাকে একটি গতিশীল ও জীবনব্যাপী প্রক্রিয়া হিসেবে ধারণ করেছে।
- প্রয়োগবাদী দর্শনে উপযোগিতা (Utility)-কে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, যা শিশুর শিখনে অভিজ্ঞতা অর্জনকে অধিক প্রাধান্য দিয়ে থাকে।
- শিক্ষা পদ্ধতির ক্ষেত্রে হাতে-কলমে শিখনের উপর গুরুত্ব দিয়েছেন। ‘প্রকল্প পদ্ধতি’ হল আধুনিক শিক্ষায় প্রয়োগবাদের একটি অবদান।
- প্রয়োগবাদী দার্শনিকগণ শৃঙ্খলার ক্ষেত্রে ‘অন্তর্জাত শৃঙ্খলার’ উপর গুরুত্ব দিয়েছেন।
প্রয়োগবাদী দর্শনের সীমাবদ্ধতা
শিক্ষাক্ষেত্রে প্রয়োগবাদী দর্শনের যেমন অবদান রয়েছে, তেমনি তার সাথে বেশকিছু ত্রুটি বা সীমাবদ্ধতাও পরিলক্ষিত হয়। যথা-
- প্রয়োগবাদীরা আধ্যাত্মিক মূল্যবোধের অস্তিত্ব-কে অস্বীকার করে। আধ্যাত্মিক মূল্যবোধের বিকাশ ছাড়া মানব কল্যাণ, শান্তি ও সন্তুষ্টি অর্জন করা কেবল আকাশকুসুম কল্পনা।
- প্রয়োগবাদীরা মনে করেন, শিক্ষার কোনো নির্দিষ্ট ও পূর্বনির্ধারিত লক্ষ্য নেই। শিক্ষার নির্দিষ্ট লক্ষ্যের অভাবে সমস্ত শিক্ষামূলক পরিকল্পনা ও প্রচেষ্টা বিপথে চালিত হতে পারে এবং কিছুই অর্জন করতে পারে না।
- প্রয়োগবাদীরা বিশ্বাস করে যে মানুষের বুদ্ধি তার সহজাত প্রবৃত্তির অধীন। এটি তাকে কেবল একটি পশুতে পরিণত করে।
- প্রয়োগবাদীরা কেবল বর্তমান ও ভবিষ্যতের উপর জোর দেয় এবং অতীতকে উপেক্ষা করে। অতীত সম্পর্কে জ্ঞান ছাড়া বর্তমানকে বোঝা যায় না এবং বর্তমানকে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে না জেনে ভবিষ্যতের জন্য কিছুই ভবিষ্যদ্বাণী করা যায় না।
প্রয়োগবাদ প্রকৃতিবাদের পথ ধরে চলে, কিন্তু তার লক্ষ্যটি হল ভাববাদী। এটি জড়জগতের সুবিধাগুলিকে কাজে লাগায়, অথচ ভাববাদের উদ্দেশ্য ও প্রবণতাকে উপেক্ষা করে না। প্রকৃতপক্ষে ভাববাদ ও প্রকৃতিবাদের মধ্যম পন্থা অবলম্বন করে চলে প্রয়োগবাদ।
আরও পোস্ট পড়তে - এখানে ক্লিক করুন
সহায়ক গ্রন্থপঞ্জি- Ravi, S. Samuel. A Comprehensive Study of Education. PHI Learning Private Limited, Delhi.
- পাল, অভিজিৎ কুমার। শিক্ষা দর্শনের রূপরেখা। ক্লাসিক বুকস, কলকাতা।
- ঘোড়াই, নিমাই চাঁদ। শিক্ষাদর্শন ও সামাজিক শিক্ষা। সাঁতরা পাবলিকেশন প্রা. লি., কলকাতা।
- পাল, গোবিন্দ পদ ও মিত্র, গঙ্গারাম। দর্শন ও সমাজ বিজ্ঞানের ভিত্তি। নব প্রকাশনী, কলকাতা।






